ঢাকা ০৭:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইল ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি বীথি অবরুদ্ধ, লাঞ্ছিতের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১১:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

সোনালী বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক :  টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে গিয়ে জেলা ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি ফাতেমা রহমান বীথিকে অবরুদ্ধ ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জেলাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, বুধবার দুপুরে স্ট্রোকের এক রোগীর খোঁজখবর নিতে হাসপাতালে যান ফাতেমা রহমান বীথি। একপর্যায়ে অব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলায় বাগবিতন্ডার সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ফাতেমা রহমান বীথি বলেন, আমি এক ব্রেনস্ট্রোক করা রোগীর খোঁজখবর জানতে এক চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলাম। তিনি এক ইন্টার্ন চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। একপর্যায়ে তিনি উচ্চস্বরে কথা বলতে থাকেন। ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ডেকে ভিডিও করতে বলেন। একপর্যায়ে তারা আমাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। দিপু নামের এক ইন্টার্ন চিকিৎসক আমার গায়ে হাত তুলেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমি টাঙ্গাইলের একজন সচেতন নাগরিক। যেখানে জনগণের টাকায় সরকারি কর্মচারীদের বেতন হয়। সেখানে অব্যবস্থার বিরুদ্ধে কথা বলতে গেলেই অবরুদ্ধ হতে হয়, লাঞ্ছিত হতে হয়। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, দুপুরে প্রশাসনের সহযোগিতায় বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে। নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি থেকে বাগবিতন্ডার সৃষ্টি হয়েছিল। কোনো পুরুষ ইন্টার্ন চিকিৎসক গায়ে হাত দিলে তদন্দ করে তার বিরুদ্ধ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

টাঙ্গাইল ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি বীথি অবরুদ্ধ, লাঞ্ছিতের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৭:১১:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

সোনালী বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক :  টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে গিয়ে জেলা ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি ফাতেমা রহমান বীথিকে অবরুদ্ধ ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জেলাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, বুধবার দুপুরে স্ট্রোকের এক রোগীর খোঁজখবর নিতে হাসপাতালে যান ফাতেমা রহমান বীথি। একপর্যায়ে অব্যবস্থাপনা নিয়ে কথা বলায় বাগবিতন্ডার সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ফাতেমা রহমান বীথি বলেন, আমি এক ব্রেনস্ট্রোক করা রোগীর খোঁজখবর জানতে এক চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলাম। তিনি এক ইন্টার্ন চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। একপর্যায়ে তিনি উচ্চস্বরে কথা বলতে থাকেন। ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ডেকে ভিডিও করতে বলেন। একপর্যায়ে তারা আমাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। দিপু নামের এক ইন্টার্ন চিকিৎসক আমার গায়ে হাত তুলেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমি টাঙ্গাইলের একজন সচেতন নাগরিক। যেখানে জনগণের টাকায় সরকারি কর্মচারীদের বেতন হয়। সেখানে অব্যবস্থার বিরুদ্ধে কথা বলতে গেলেই অবরুদ্ধ হতে হয়, লাঞ্ছিত হতে হয়। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, দুপুরে প্রশাসনের সহযোগিতায় বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে। নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি থেকে বাগবিতন্ডার সৃষ্টি হয়েছিল। কোনো পুরুষ ইন্টার্ন চিকিৎসক গায়ে হাত দিলে তদন্দ করে তার বিরুদ্ধ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।