ঢাকা ০১:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মঙ্গল শোভাযাত্রায় হাজারো মানুষের ঢল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৬:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ১৯ বার পড়া হয়েছে

আজ শনিবার সকাল ৯টা বাজতেই শাহবাগ থেকে টিএসসি এলাকা বৈশাখের রঙে রঙিন মানুষের পদভারে ভরে ওঠে। আজ শনিবার সকাল নয়টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে চারুকলা অনুষদ থেকে বের হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। এ ছাড়া শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সদস্যরা। শাহবাগ, রূপসী বাংলা হয়ে আবারও শাহবাগ, টিএসসি হয়ে চারুকলায় গিয়ে সকাল সোয়া ১০টার দিকে শেষ হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা।

নানা রঙ্গের মুখোশ, ঢাক-ঢোল, কোলা ইত্যাদি নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেন তারা। পুরুষরা পাঞ্জাবি, ধুতি, লুঙ্গি, গামছাসহ পোশাকে আর নারীরা বৈশাখী শাড়ি পরিধান করে বাঙালি সংস্কৃতির ছোঁয়াকে ধারণ করেছিলেন। শোভাযাত্রায় ছোট ছোট বাচ্চাদেরও ছিল উপচে পড়া ভিড়। মা-বাবার সঙ্গে তারা এসেছেন শোভাযাত্রায় অংশ নিতে। তাদের মুখে রংতুলি দিয়ে লেখা ছিল ‘শুভ নববর্ষ’।এ উৎসবে যোগ দিয়েছেন দেশের বাইরের মানুষও। বিশেষ করে বিদেশি মিশন ও দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এ ছাড়া বাংলাদেশে চাকরির সূত্রে অবস্থান করা বিদেশি নাগরিকরা ছুটে আসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মঙ্গল শোভাযাত্রায়। বাঙালিয়ানার অপরূপ সাজে সজ্জিত হয়েছেন বিদেশি নারীরা। আর বিদেশি পুরুষরাও পরেছেন লুঙ্গি, ধুতি, পাঞ্জাবি ও ফতুয়া। অনেকে মাথায় বেঁধেছেন গামছা।বর্ষবরণের অন্যতম আকর্ষণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের মঙ্গল শোভাযাত্রা। ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে এ শোভাযাত্রা।

এবারের মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রতিপাদ্য ছিল – ‘মানুষ ভজলে, সোনার মানুষ পাবি।বাংলার নতুন বছরকে সাদরে বরণ করা হলো মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে।সবার প্রত্যাশা, নতুন বছরটি হবে—ভালো, আরও ভালো। শোভাযাত্রাটি ছিল নিরাপত্তার চাদরে ঘেরা। কেবল শোভাযাত্রার চারপাশে নয়, আকাশেও ছিল র‍্যাবের হেলিকপ্টারের টহল।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মঙ্গল শোভাযাত্রায় হাজারো মানুষের ঢল

আপডেট সময় : ০৭:২৬:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ এপ্রিল ২০১৮

আজ শনিবার সকাল ৯টা বাজতেই শাহবাগ থেকে টিএসসি এলাকা বৈশাখের রঙে রঙিন মানুষের পদভারে ভরে ওঠে। আজ শনিবার সকাল নয়টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে চারুকলা অনুষদ থেকে বের হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। এ ছাড়া শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সদস্যরা। শাহবাগ, রূপসী বাংলা হয়ে আবারও শাহবাগ, টিএসসি হয়ে চারুকলায় গিয়ে সকাল সোয়া ১০টার দিকে শেষ হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা।

নানা রঙ্গের মুখোশ, ঢাক-ঢোল, কোলা ইত্যাদি নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেন তারা। পুরুষরা পাঞ্জাবি, ধুতি, লুঙ্গি, গামছাসহ পোশাকে আর নারীরা বৈশাখী শাড়ি পরিধান করে বাঙালি সংস্কৃতির ছোঁয়াকে ধারণ করেছিলেন। শোভাযাত্রায় ছোট ছোট বাচ্চাদেরও ছিল উপচে পড়া ভিড়। মা-বাবার সঙ্গে তারা এসেছেন শোভাযাত্রায় অংশ নিতে। তাদের মুখে রংতুলি দিয়ে লেখা ছিল ‘শুভ নববর্ষ’।এ উৎসবে যোগ দিয়েছেন দেশের বাইরের মানুষও। বিশেষ করে বিদেশি মিশন ও দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এ ছাড়া বাংলাদেশে চাকরির সূত্রে অবস্থান করা বিদেশি নাগরিকরা ছুটে আসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মঙ্গল শোভাযাত্রায়। বাঙালিয়ানার অপরূপ সাজে সজ্জিত হয়েছেন বিদেশি নারীরা। আর বিদেশি পুরুষরাও পরেছেন লুঙ্গি, ধুতি, পাঞ্জাবি ও ফতুয়া। অনেকে মাথায় বেঁধেছেন গামছা।বর্ষবরণের অন্যতম আকর্ষণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের মঙ্গল শোভাযাত্রা। ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে এ শোভাযাত্রা।

এবারের মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রতিপাদ্য ছিল – ‘মানুষ ভজলে, সোনার মানুষ পাবি।বাংলার নতুন বছরকে সাদরে বরণ করা হলো মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে।সবার প্রত্যাশা, নতুন বছরটি হবে—ভালো, আরও ভালো। শোভাযাত্রাটি ছিল নিরাপত্তার চাদরে ঘেরা। কেবল শোভাযাত্রার চারপাশে নয়, আকাশেও ছিল র‍্যাবের হেলিকপ্টারের টহল।