ঢাকা ০৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিপুল পরিমাণ গাঁজা জব্দ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৩:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ মার্চ ২০১৮ ২১ বার পড়া হয়েছে

গাড়ি তল্লাশি করে দুই মাদক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজা জব্দ করা হয়েছিল। তবে মামলার কাগজে দেখা গেল, জব্দ হওয়া গাঁজার পরিমাণ বেশ কম। খবর পেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থানায় তল্লাশি করে পরিত্যক্ত কক্ষে পেলেন বাকি গাঁজা। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানার এ ঘটনায় পুলিশের দুই উপপরিদর্শকসহ (এসআই) ছয় পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন কসবা থানার এসআই শ্যামল মজুমদার, এসআই মো. মনির হোসেন-১, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. সালাহ উদ্দিন, এএসআই মো. ফারুক মিয়া, কনস্টেবল মো. শাহজাহান ও কনস্টেবল আবুল কাশেম।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যে পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছিল, তা ১৮০ কেজি হতে পারে। অথচ কাগজে-কলমে জব্দ গাঁজার পরিমাণ দেখানো হয়েছে মাত্র ৪০ কেজি।

গ্রেপ্তার হওয়া দুই মাদক ব্যবসায়ী হলেন চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানার ফতেহাবাদ গ্রামের মৃত নুরুল হকের ছেলে হাসান মিয়া (৩০) ও পটুয়াখালীর বাউফল থানার ইন্দ্রকোল গ্রামের আলমগীর মিয়ার ছেলে আল আমিন (৩৩)।

এ ঘটনায় থানার এএসআই মো. সালাহ উদ্দিন বাদী হয়ে ৪০ কেজি গাঁজা জব্দ দেখিয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। গ্রেপ্তার দেখানো হয় দুই মাদক ব্যবসায়ীকে।

খবর পেয়ে রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসেন থানায় এসে এ বিষয়ে খোঁজখবর নেন। পরে থানার একটি পরিত্যক্ত কক্ষ থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজা জব্দ করেন তিনি। রাতেই ওই দুই এসআই, দুই এএসআইসহ ছয় পুলিশ সদস্যকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মিজানুর রহমান।  তিনি বলেন, পরিমাণে কম দেখানোর দায়ে ছয় পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। জব্দ করা গাঁজা আদালতে জমা দেওয়া হবে। ঘটনাটি তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে মোট কী পরিমাণ গাঁজা জব্দ করা হয়েছে, সে ব্যাপারে কোনো তথ্য দেননি তিনি।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বিপুল পরিমাণ গাঁজা জব্দ

আপডেট সময় : ১০:৫৩:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ মার্চ ২০১৮

গাড়ি তল্লাশি করে দুই মাদক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজা জব্দ করা হয়েছিল। তবে মামলার কাগজে দেখা গেল, জব্দ হওয়া গাঁজার পরিমাণ বেশ কম। খবর পেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থানায় তল্লাশি করে পরিত্যক্ত কক্ষে পেলেন বাকি গাঁজা। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানার এ ঘটনায় পুলিশের দুই উপপরিদর্শকসহ (এসআই) ছয় পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন কসবা থানার এসআই শ্যামল মজুমদার, এসআই মো. মনির হোসেন-১, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. সালাহ উদ্দিন, এএসআই মো. ফারুক মিয়া, কনস্টেবল মো. শাহজাহান ও কনস্টেবল আবুল কাশেম।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যে পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছিল, তা ১৮০ কেজি হতে পারে। অথচ কাগজে-কলমে জব্দ গাঁজার পরিমাণ দেখানো হয়েছে মাত্র ৪০ কেজি।

গ্রেপ্তার হওয়া দুই মাদক ব্যবসায়ী হলেন চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানার ফতেহাবাদ গ্রামের মৃত নুরুল হকের ছেলে হাসান মিয়া (৩০) ও পটুয়াখালীর বাউফল থানার ইন্দ্রকোল গ্রামের আলমগীর মিয়ার ছেলে আল আমিন (৩৩)।

এ ঘটনায় থানার এএসআই মো. সালাহ উদ্দিন বাদী হয়ে ৪০ কেজি গাঁজা জব্দ দেখিয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। গ্রেপ্তার দেখানো হয় দুই মাদক ব্যবসায়ীকে।

খবর পেয়ে রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসেন থানায় এসে এ বিষয়ে খোঁজখবর নেন। পরে থানার একটি পরিত্যক্ত কক্ষ থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজা জব্দ করেন তিনি। রাতেই ওই দুই এসআই, দুই এএসআইসহ ছয় পুলিশ সদস্যকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মিজানুর রহমান।  তিনি বলেন, পরিমাণে কম দেখানোর দায়ে ছয় পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। জব্দ করা গাঁজা আদালতে জমা দেওয়া হবে। ঘটনাটি তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে মোট কী পরিমাণ গাঁজা জব্দ করা হয়েছে, সে ব্যাপারে কোনো তথ্য দেননি তিনি।