ঢাকা ১১:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে আদালত থেকে হত্যা মামলার আসামির পলায়ন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ জুন ২০১৮ ১৫ বার পড়া হয়েছে

ফরিদপুরে আদালতের এজলাস থেকে পালিয়ে গেছেন হত্যা মামলার এক আসামি। আজ মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ফরিদপুরের প্রথম জজ আদালতে এ ঘটনা ঘটে।

ওই আসামির নাম ফরিদ শেখ (২৬)। তিনি ফরিদপুর শহরের গুহলক্ষ্মীপুর মহল্লার মো. ইসাহাক শেখের ছেলে। ইজিবাইকচালক মো. রাসেল শেখ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি তিনি।

মালার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, রাজবাড়ী সদর উপজেলার বাজিতপুর গ্রামের নূরুল আমিনের ছেলে রাসেল শেখকে (১৭) ২০১১ সালের ১৫ আগস্ট হত্যা করে তার ইজিবাইক নিয়ে পালিয়ে যান ঘাতকেরা। ওই দিনই ফরিদপুর সদরের চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের দুর্জন খাঁর ডাঙ্গির খালাসি দুর্গাপুর বেড়িবাঁধ এলাকার খাদে পানির মধ্যে রাসেলের লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় রাসেলের বাবা নূরুল আমিন অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পুলিশ ফরিদ শেখসহ চারজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। ওই মামলার আসামি হিসেবে গত ২০১১ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ফরিদকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। ওই দিন থেকে ফরিদ জেলা কারাগারে হাজতি হিসেবে রয়েছেন।

আজ এ মামলার হাজিরার নির্ধারিত দিন ছিল। হাজিরার জন্য কারাগার থেকে ফরিদকে আদালতে নিয়ে আসে পুলিশ।

আদালত সূত্রে জানা যায়, শুনানি শেষ হওয়ার পর জজ আদালতের এজলাসের মধ্যে পুলিশের কনস্টেবল রবিউল ইসলামের জিম্মায় অন্য আরও চার আসামির সঙ্গে ছিলেন ফরিদ। একসময় কৌশলে হাতকড়া খুলে এজলাস থেকে পালিয়ে যান তিনি।

ফরিদপুর জেলা কারাগারের জেলার মো. আমানুল্লাহ বলেন, ফরিদ শেখ এ কারাগারের ৩২৭৮/১১ নম্বর হাজতি হিসেবে অবস্থান করছেন। আজ সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে অন্য আসামিদের সঙ্গে হাজিরা দিতে কোর্ট পুলিশের তত্ত্বাবধানে আদালতে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পুলিশের কোর্ট পরিদর্শক নাজনীন বেগম বলেন, কনস্টেবল রবিউল ছাড়াও এসআই জিল্লুর রহমান ওই এজলাসে আসামিদের জিম্মার দায়িত্বে ছিলেন। পরে এসআই জিল্লুর অন্য একটি এজলাসে অবস্থানকারী আসামিদের দেখতে গিয়েছিলেন। এ সময় কৌশলে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান হত্যা মামলার হাজতি আসামি ফরিদ শেখ। পরে তাঁকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ফরিদপুরে আদালত থেকে হত্যা মামলার আসামির পলায়ন

আপডেট সময় : ০৪:৫৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ জুন ২০১৮

ফরিদপুরে আদালতের এজলাস থেকে পালিয়ে গেছেন হত্যা মামলার এক আসামি। আজ মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ফরিদপুরের প্রথম জজ আদালতে এ ঘটনা ঘটে।

ওই আসামির নাম ফরিদ শেখ (২৬)। তিনি ফরিদপুর শহরের গুহলক্ষ্মীপুর মহল্লার মো. ইসাহাক শেখের ছেলে। ইজিবাইকচালক মো. রাসেল শেখ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি তিনি।

মালার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, রাজবাড়ী সদর উপজেলার বাজিতপুর গ্রামের নূরুল আমিনের ছেলে রাসেল শেখকে (১৭) ২০১১ সালের ১৫ আগস্ট হত্যা করে তার ইজিবাইক নিয়ে পালিয়ে যান ঘাতকেরা। ওই দিনই ফরিদপুর সদরের চর মাধবদিয়া ইউনিয়নের দুর্জন খাঁর ডাঙ্গির খালাসি দুর্গাপুর বেড়িবাঁধ এলাকার খাদে পানির মধ্যে রাসেলের লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় রাসেলের বাবা নূরুল আমিন অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পুলিশ ফরিদ শেখসহ চারজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। ওই মামলার আসামি হিসেবে গত ২০১১ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ফরিদকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। ওই দিন থেকে ফরিদ জেলা কারাগারে হাজতি হিসেবে রয়েছেন।

আজ এ মামলার হাজিরার নির্ধারিত দিন ছিল। হাজিরার জন্য কারাগার থেকে ফরিদকে আদালতে নিয়ে আসে পুলিশ।

আদালত সূত্রে জানা যায়, শুনানি শেষ হওয়ার পর জজ আদালতের এজলাসের মধ্যে পুলিশের কনস্টেবল রবিউল ইসলামের জিম্মায় অন্য আরও চার আসামির সঙ্গে ছিলেন ফরিদ। একসময় কৌশলে হাতকড়া খুলে এজলাস থেকে পালিয়ে যান তিনি।

ফরিদপুর জেলা কারাগারের জেলার মো. আমানুল্লাহ বলেন, ফরিদ শেখ এ কারাগারের ৩২৭৮/১১ নম্বর হাজতি হিসেবে অবস্থান করছেন। আজ সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে অন্য আসামিদের সঙ্গে হাজিরা দিতে কোর্ট পুলিশের তত্ত্বাবধানে আদালতে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পুলিশের কোর্ট পরিদর্শক নাজনীন বেগম বলেন, কনস্টেবল রবিউল ছাড়াও এসআই জিল্লুর রহমান ওই এজলাসে আসামিদের জিম্মার দায়িত্বে ছিলেন। পরে এসআই জিল্লুর অন্য একটি এজলাসে অবস্থানকারী আসামিদের দেখতে গিয়েছিলেন। এ সময় কৌশলে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান হত্যা মামলার হাজতি আসামি ফরিদ শেখ। পরে তাঁকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।