ঢাকা ১২:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নিহত ১, রোহিঙ্গা শিবিরে গোলাগুলি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৭:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মার্চ ২০১৮ ১৫ বার পড়া হয়েছে

আজ বৃহস্পতিবার ভোররাত চারটার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবিরে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় পুলিশ আরও দুজন রোহিঙ্গাকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।গোলাগুলিতে জড়িত ব্যক্তিরা সবাই এ শিবিরের রোহিঙ্গা বাসিন্দা।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, ‘আজ ভোরে উপজেলার হ্নীলার নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবিরে দুই দল “ডাকাতের” মধ্যে গোলাগুলির খবর পেয়ে আমিসহ পুলিশের একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থলে যাই। এ সময় চিহ্নিত রোহিঙ্গা ডাকাত আবদুল হাকিমের সহযোগী হোসেন আলী ওরফে বাইল্ল্যার গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পালিয়ে যাওয়ার সময় আবদুস সালাম ও আবদুর রাজ্জাক নামের দুজনকে আটক করা হয়। তবে নুরুল আলম নামের চিহ্নিত আরেক রোহিঙ্গা ডাকাত গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পার্শ্ববর্তী পাহাড়ের দিকে গুলিবর্ষণ করতে করতে পালিয়ে যায়।’

গ্রেপ্তার হওয়া দুজন পুলিশকে জানান, তাঁরা সবাই একসময় আবদুল হাকিমের সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন। কিন্তু তাঁদের মধ্যে বিরোধের জের ধরে সপ্তাহ খানেক আগে হোসেন আলী ওরফে বাইল্ল্যা আবদুর রাজ্জাক নামের একজনকে অপহরণ করে নিয়ে তাঁকে আটকে রাখেন। পরে রাজ্জাক কৌশলে পালিয়ে আসতে সক্ষম হন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজ ভোররাতে আবদুর রাজ্জাক তাঁর লোকজনকে নিয়ে হোসেন আলী ওরফে বাইল্ল্যা ডাকাতের ঘরে হামলা চালান।

ওসি বলেন, নিহত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

নিহত ১, রোহিঙ্গা শিবিরে গোলাগুলি

আপডেট সময় : ১১:০৭:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মার্চ ২০১৮

আজ বৃহস্পতিবার ভোররাত চারটার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবিরে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় পুলিশ আরও দুজন রোহিঙ্গাকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।গোলাগুলিতে জড়িত ব্যক্তিরা সবাই এ শিবিরের রোহিঙ্গা বাসিন্দা।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, ‘আজ ভোরে উপজেলার হ্নীলার নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরণার্থীশিবিরে দুই দল “ডাকাতের” মধ্যে গোলাগুলির খবর পেয়ে আমিসহ পুলিশের একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থলে যাই। এ সময় চিহ্নিত রোহিঙ্গা ডাকাত আবদুল হাকিমের সহযোগী হোসেন আলী ওরফে বাইল্ল্যার গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পালিয়ে যাওয়ার সময় আবদুস সালাম ও আবদুর রাজ্জাক নামের দুজনকে আটক করা হয়। তবে নুরুল আলম নামের চিহ্নিত আরেক রোহিঙ্গা ডাকাত গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পার্শ্ববর্তী পাহাড়ের দিকে গুলিবর্ষণ করতে করতে পালিয়ে যায়।’

গ্রেপ্তার হওয়া দুজন পুলিশকে জানান, তাঁরা সবাই একসময় আবদুল হাকিমের সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন। কিন্তু তাঁদের মধ্যে বিরোধের জের ধরে সপ্তাহ খানেক আগে হোসেন আলী ওরফে বাইল্ল্যা আবদুর রাজ্জাক নামের একজনকে অপহরণ করে নিয়ে তাঁকে আটকে রাখেন। পরে রাজ্জাক কৌশলে পালিয়ে আসতে সক্ষম হন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজ ভোররাতে আবদুর রাজ্জাক তাঁর লোকজনকে নিয়ে হোসেন আলী ওরফে বাইল্ল্যা ডাকাতের ঘরে হামলা চালান।

ওসি বলেন, নিহত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।