ঢাকা ০১:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ধীর গতিতে দুর্নীতি হ্রাস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৯:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ১৭ বার পড়া হয়েছে

দুর্নীতি একটি সংক্রামক ব্যাধির মতো।কোনো সমাজ বা রাষ্ট্রে একবার দুর্নীতি প্রবেশ করলে তা রোধ করা বা কমিয়ে আনা  আরো কঠিন হয়ে পড়ে।   বাংলাদেশ এখন অনেক দিক থেকেই এগিয়ে যাচ্ছে।  ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বা টিআইয়ের দুর্নীতির সূচকে। ২০১৬ সালের তুলনায় ২০১৭ সালে দুর্নীতি কমে  বাংলাদেশ দুই ধাপ এগিয়ে ১৭তম স্থানে উঠেছে।    এটি আমাদের জন্য অবশ্যই একটি আনন্দের সংবাদ। দুর্নীতিতে আমরা ছিলাম এক সময় প্রথম। সেখান থেকে ১৭তম স্থানে উঠে আসা অবশ্যই একটি বড় অর্জন। প্রতিবছর এভাবে দু-তিন ধাপ করে এগোতে পারলে কিছুদিনের মধ্যাই হয়ত  বাংলাদেশের অবস্থান অনেকটাই ওপরে বা মোটামুটি মর্যাদাপূর্ণ একটি স্থানে চলে আসবে, এমনটি আশা করতেই পারি আমরা। এ দেশে দুর্নীতি করে কেউ পার পায়না তা ইতিমধ্যেই আমারা তা দেখেছি।দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদকের কর্মকাণ্ড থেকে।দুদককে আরো  সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে।সরকারের সব কর্মকাণ্ডের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়াতে হবে।অন্যায় করলে তার শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে,সে  যেই হোক। সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে,সুশাসনের অভাব হলে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ যেমন কমে যায়,দুর্নীতি শুধু যে রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় বাড়ায় তা-ই নয়। জনসেবামূলক রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডের সুফল থেকে  বঞ্চিত হয় দেশের জনগন। রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড দুর্বল হয়ে যায়। তাই কোনো দেশকে এগিয়ে নিতে হলে অবশ্যই দেশটির সর্বগ্রাসী দুর্নীতির লাগাম টানতে  হবে। ধীরে হলেও দুর্নীতি কমানোর ক্ষেত্রে আমাদের যে অগ্রগতি সূচিত হয়েছে, তাকে অব্যাহত রাখতে হবে আমাদের।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

ধীর গতিতে দুর্নীতি হ্রাস

আপডেট সময় : ১০:৩৯:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

দুর্নীতি একটি সংক্রামক ব্যাধির মতো।কোনো সমাজ বা রাষ্ট্রে একবার দুর্নীতি প্রবেশ করলে তা রোধ করা বা কমিয়ে আনা  আরো কঠিন হয়ে পড়ে।   বাংলাদেশ এখন অনেক দিক থেকেই এগিয়ে যাচ্ছে।  ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বা টিআইয়ের দুর্নীতির সূচকে। ২০১৬ সালের তুলনায় ২০১৭ সালে দুর্নীতি কমে  বাংলাদেশ দুই ধাপ এগিয়ে ১৭তম স্থানে উঠেছে।    এটি আমাদের জন্য অবশ্যই একটি আনন্দের সংবাদ। দুর্নীতিতে আমরা ছিলাম এক সময় প্রথম। সেখান থেকে ১৭তম স্থানে উঠে আসা অবশ্যই একটি বড় অর্জন। প্রতিবছর এভাবে দু-তিন ধাপ করে এগোতে পারলে কিছুদিনের মধ্যাই হয়ত  বাংলাদেশের অবস্থান অনেকটাই ওপরে বা মোটামুটি মর্যাদাপূর্ণ একটি স্থানে চলে আসবে, এমনটি আশা করতেই পারি আমরা। এ দেশে দুর্নীতি করে কেউ পার পায়না তা ইতিমধ্যেই আমারা তা দেখেছি।দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদকের কর্মকাণ্ড থেকে।দুদককে আরো  সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে।সরকারের সব কর্মকাণ্ডের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়াতে হবে।অন্যায় করলে তার শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে,সে  যেই হোক। সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে,সুশাসনের অভাব হলে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ যেমন কমে যায়,দুর্নীতি শুধু যে রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় বাড়ায় তা-ই নয়। জনসেবামূলক রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডের সুফল থেকে  বঞ্চিত হয় দেশের জনগন। রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড দুর্বল হয়ে যায়। তাই কোনো দেশকে এগিয়ে নিতে হলে অবশ্যই দেশটির সর্বগ্রাসী দুর্নীতির লাগাম টানতে  হবে। ধীরে হলেও দুর্নীতি কমানোর ক্ষেত্রে আমাদের যে অগ্রগতি সূচিত হয়েছে, তাকে অব্যাহত রাখতে হবে আমাদের।