ঢাকা ০১:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইল দেলদুয়ারে চার বছরের শিশু ধর্ষণের চেষ্টা।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০১:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মার্চ ২০১৮ ২৩ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটি ইউনিয়নের স্বল্প লাড়–গ্রামে ৪ বছরের শিশু ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে দেলদুয়ার থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, শিশুটি তাদের বাড়ির পাশে স্কুল মাঠে খেলতে গেলে তাকে চকোলেট খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে স্বল্পলাড়–গ্রাম গ্রামের বাহাদুর খানের ছেলে দুর্জয় খান (১৯) ও একই গ্রামের ধলু মিয়ার ছেলে কহিনুর ইসলাম (১৯) তাকে পার্শ্ববর্তী তামাক খেতে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে শিশুটির ডাক চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা দৌড়ে পালিয়ে যায়। এ সময় শিশুটিকে উদ্ধার করে তারা।

শিশুটির বাবা জানান, স্থানীয় মাতব্বররা বিষয়টি জানাজানি না করে মীমাংসার জন্য চাপ দেন। এক পর্যায়ে গ্রাম্য মাতব্বর সাবেক মেম্বার বুদ্দু মিয়া, হুমায়ুন, লাইব খান, আরফান খান, কামাল মিয়া সহ আরো কতিপয় মাতব্বর সালিশি বৈঠকে বসে। সালিশি বৈঠকে ফরমান খানের সভাপতিত্বে এক জুরিবোর্ড ১২ হাজার টাকা এবং অভিযুক্ত দু’জনকে দশটি করে জুতার বাড়ি রায় দেন।

এ রায় না মেনে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে দেলদুয়ার থানায় মামলা রুজু করেন। যার মামলা নং ০৮, তারিখ ১৭.০৩.২০১৮ ইং।

শিশুটির বাবা প্রতিবেদককে বলেন, আমি কোন জরিমানা চাইনা। আমি এ ঘটনায় অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। কিন্তু মাতব্বর এবং অভিযুক্তদের  হুমকি ধামকির কারণে আমি বাড়িতেই থাকতে পারছিনা। আমি আমার মেয়ের ন্যায় বিচার চাই এবং আমার আর আমার পরিবারের নিরাপত্তা চাই।

দেলদুয়ার থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, আসামিরা পরিবার সহ পলাতক আছে। তবে তাদের গ্রেফতারে জোর চেষ্টা চলছে। আশা করছি খুব শীঘ্রই আসামিদের গ্রেফতার করতে পারবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

টাঙ্গাইল দেলদুয়ারে চার বছরের শিশু ধর্ষণের চেষ্টা।

আপডেট সময় : ০৪:০১:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মার্চ ২০১৮

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটি ইউনিয়নের স্বল্প লাড়–গ্রামে ৪ বছরের শিশু ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে দেলদুয়ার থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, শিশুটি তাদের বাড়ির পাশে স্কুল মাঠে খেলতে গেলে তাকে চকোলেট খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে স্বল্পলাড়–গ্রাম গ্রামের বাহাদুর খানের ছেলে দুর্জয় খান (১৯) ও একই গ্রামের ধলু মিয়ার ছেলে কহিনুর ইসলাম (১৯) তাকে পার্শ্ববর্তী তামাক খেতে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে শিশুটির ডাক চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা দৌড়ে পালিয়ে যায়। এ সময় শিশুটিকে উদ্ধার করে তারা।

শিশুটির বাবা জানান, স্থানীয় মাতব্বররা বিষয়টি জানাজানি না করে মীমাংসার জন্য চাপ দেন। এক পর্যায়ে গ্রাম্য মাতব্বর সাবেক মেম্বার বুদ্দু মিয়া, হুমায়ুন, লাইব খান, আরফান খান, কামাল মিয়া সহ আরো কতিপয় মাতব্বর সালিশি বৈঠকে বসে। সালিশি বৈঠকে ফরমান খানের সভাপতিত্বে এক জুরিবোর্ড ১২ হাজার টাকা এবং অভিযুক্ত দু’জনকে দশটি করে জুতার বাড়ি রায় দেন।

এ রায় না মেনে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে দেলদুয়ার থানায় মামলা রুজু করেন। যার মামলা নং ০৮, তারিখ ১৭.০৩.২০১৮ ইং।

শিশুটির বাবা প্রতিবেদককে বলেন, আমি কোন জরিমানা চাইনা। আমি এ ঘটনায় অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। কিন্তু মাতব্বর এবং অভিযুক্তদের  হুমকি ধামকির কারণে আমি বাড়িতেই থাকতে পারছিনা। আমি আমার মেয়ের ন্যায় বিচার চাই এবং আমার আর আমার পরিবারের নিরাপত্তা চাই।

দেলদুয়ার থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, আসামিরা পরিবার সহ পলাতক আছে। তবে তাদের গ্রেফতারে জোর চেষ্টা চলছে। আশা করছি খুব শীঘ্রই আসামিদের গ্রেফতার করতে পারবো।