ঢাকা ০৩:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইলে বাহারী ইফতারের পসরা সাজিয়ে বসেছে দোকানীরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪০:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ মে ২০১৮ ২৯ বার পড়া হয়েছে

রোজদারদের জন্য হরেক রকমের ইফতারের পসরাসাজিয়ে বসেছেন টাঙ্গাইলের ইফতার বিক্রেতা দোকানীরা। নানা পেশা এবং বিভিন্ন শ্রেনী জন্য তৈরী হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ইফতার। নিরালা ঘর, পিয়াসী হোটেল, কিছুক্ষন হোটেল, পথিক ফাষ্ট ফুড, ফুড গ্রার্ডেন, প্রত্যশা ফাষ্ট ফুড, ভিক্টোরিয়া ফুড জোন, শামীম পিঠা ঘর, ইমতিয়াজ এর দোকান সহ শহীদ জগলু রোড, পাঁচ আনি বাজার , ছয় আনি বাজার, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, নতুন বাস স্ট্যান্ড সহ বিভিন্ন জায়গায় পাওয়া যাচ্ছে বাহারী ইফতার । এই সব এলাকায় পরিদর্শন করে এবং বিভিন্ন রোজদারের সাথে আলাপ করে জানা গেল, প্রায় সবার পচ্ছন্দের ইফতার তালিকায় থাকছে বুট, পিয়াজু, বেগুনী, মাংশ পিঠা, কলিজা পিঠা এবং হালিম ও মুড়ি। ইফতারিতে মিষ্টান্ন খাদ্য এর মধ্যে জিলেপি, বুন্দিয়া চাহিদা সবচেয়ে বেশী এবং সরবতে টক দৈ কিম্বা ট্যাং এর সরবত এর চাহিদা বেশী। লেবুর সরবত আছে অনেকের পচ্ছন্দের তালিকায় । এ ছাড়া উচ্চ বিত্ত ও উচ্চ মধ্য বিত্তদের পছন্দের তালিকায় থাকছে, কিমা পরোটা, চিকেন সাসলিক, ঘিয়ে ভাজা পরোটা, ফ্রাইড চিকেন ,খাশীর জালি কাবাব, চিকেন তান্দুরী, চিকেন পেটিস, চিকেন রোল, পুডিং, সহ হরেক রকমের ইফতার আইটেম।
কোন ইফতারই ফল ছাড়া পূর্নতা লাভ করে না, ফলের মধ্যে খেজুর, আম, লিচু, মালটা এর চাহিদা সবচেয়ে বেশী। ক্ষেত্র বিশেষে আঙ্গুর, আপেলও চাহিদা আছে তবে তুলনা মূলক কম।
আর শশা ছাড়া ইফতারের কথা চিন্তাই করা যায় না। বাজারে শশার পর্যাপ্ত সরবরাহ আছে। ফলে কেনাও যাচ্ছে চাহিদা অনুযায়ী।

এছাড়া চাহিদা অনুয়াযী ইফতার বক্স সরবরাহ করছে ভিক্টোরিয়া ফুড জোন সহ বিভিন্ন হোটেল ও রেস্টুরেন্ট। এই সব ইফতার বক্স্র ১২০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।
এবার টাঙ্গাইলে ইফতারের আয়োজন ও চাহিদা নিয়ে কথা হয় “নিরালা ঘর” ও “পথিক ফাস্ট ফুড” এর স্বত্তাধিকারী মির্জা মাসুদ রুবেল এবং বিপ্লব কুমার দাসের এর সাথে। মির্জা মাসুদ রুবেল জানান,“ ইফতার আইটেম মোটামুটি ভালো চলছে। তবে টাঙ্গাইলে ভালো কারিগরের অভাবে ভালো ভালো ইফতার আইটেম তৈরী করা যাচ্ছে না। ফলে গ্রাহকরা হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছে। আমিও হতাশ।” পথিক ফাস্ট ফুডের স্বত্তাধিকারী বিপ্লব কুমার দাস বলেন,“মাহে রমজানে বিক্রি ভালো হচ্ছে, যত দিন যাচ্ছে বিক্রি ততো বাড়ছে। প্রতিদিন প্রায় তিনশো লোকের ইফতার আইটেম বিক্রি হচ্ছে”।

এই সব আয়োজনের বাইরে আছে ব্যতিক্রমধমী ইফতার আয়োজন। ত্রিবেনী টাঙ্গাইল প্রতিদিন টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিনা মূল্য ইফতারের আয়োজন করছে। এই ইফতার সবার জন্য উন্মক্ত। বিশেষ করে ভবঘুরে, চলমান পথিক এবং নিম্ন বিত্তের মানুষের জন্য এই ইফতার আয়োজন। এই উদ্যেগ ইতিমধ্যে টাঙ্গাইলের সাধারন মানুষের কাছে প্রশংসা কুড়িয়েছে। এছাড়া “নিরালা ঘরের” স্বত্তাধিকারী মির্জা মাসুদ রুরেল রমজান মাসের প্রতি শুক্রবার বাদ মাগরিব টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য খিচুড়ীর আয়োজন করছেন।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

টাঙ্গাইলে বাহারী ইফতারের পসরা সাজিয়ে বসেছে দোকানীরা

আপডেট সময় : ০৮:৪০:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ মে ২০১৮

রোজদারদের জন্য হরেক রকমের ইফতারের পসরাসাজিয়ে বসেছেন টাঙ্গাইলের ইফতার বিক্রেতা দোকানীরা। নানা পেশা এবং বিভিন্ন শ্রেনী জন্য তৈরী হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ইফতার। নিরালা ঘর, পিয়াসী হোটেল, কিছুক্ষন হোটেল, পথিক ফাষ্ট ফুড, ফুড গ্রার্ডেন, প্রত্যশা ফাষ্ট ফুড, ভিক্টোরিয়া ফুড জোন, শামীম পিঠা ঘর, ইমতিয়াজ এর দোকান সহ শহীদ জগলু রোড, পাঁচ আনি বাজার , ছয় আনি বাজার, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, নতুন বাস স্ট্যান্ড সহ বিভিন্ন জায়গায় পাওয়া যাচ্ছে বাহারী ইফতার । এই সব এলাকায় পরিদর্শন করে এবং বিভিন্ন রোজদারের সাথে আলাপ করে জানা গেল, প্রায় সবার পচ্ছন্দের ইফতার তালিকায় থাকছে বুট, পিয়াজু, বেগুনী, মাংশ পিঠা, কলিজা পিঠা এবং হালিম ও মুড়ি। ইফতারিতে মিষ্টান্ন খাদ্য এর মধ্যে জিলেপি, বুন্দিয়া চাহিদা সবচেয়ে বেশী এবং সরবতে টক দৈ কিম্বা ট্যাং এর সরবত এর চাহিদা বেশী। লেবুর সরবত আছে অনেকের পচ্ছন্দের তালিকায় । এ ছাড়া উচ্চ বিত্ত ও উচ্চ মধ্য বিত্তদের পছন্দের তালিকায় থাকছে, কিমা পরোটা, চিকেন সাসলিক, ঘিয়ে ভাজা পরোটা, ফ্রাইড চিকেন ,খাশীর জালি কাবাব, চিকেন তান্দুরী, চিকেন পেটিস, চিকেন রোল, পুডিং, সহ হরেক রকমের ইফতার আইটেম।
কোন ইফতারই ফল ছাড়া পূর্নতা লাভ করে না, ফলের মধ্যে খেজুর, আম, লিচু, মালটা এর চাহিদা সবচেয়ে বেশী। ক্ষেত্র বিশেষে আঙ্গুর, আপেলও চাহিদা আছে তবে তুলনা মূলক কম।
আর শশা ছাড়া ইফতারের কথা চিন্তাই করা যায় না। বাজারে শশার পর্যাপ্ত সরবরাহ আছে। ফলে কেনাও যাচ্ছে চাহিদা অনুযায়ী।

এছাড়া চাহিদা অনুয়াযী ইফতার বক্স সরবরাহ করছে ভিক্টোরিয়া ফুড জোন সহ বিভিন্ন হোটেল ও রেস্টুরেন্ট। এই সব ইফতার বক্স্র ১২০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।
এবার টাঙ্গাইলে ইফতারের আয়োজন ও চাহিদা নিয়ে কথা হয় “নিরালা ঘর” ও “পথিক ফাস্ট ফুড” এর স্বত্তাধিকারী মির্জা মাসুদ রুবেল এবং বিপ্লব কুমার দাসের এর সাথে। মির্জা মাসুদ রুবেল জানান,“ ইফতার আইটেম মোটামুটি ভালো চলছে। তবে টাঙ্গাইলে ভালো কারিগরের অভাবে ভালো ভালো ইফতার আইটেম তৈরী করা যাচ্ছে না। ফলে গ্রাহকরা হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছে। আমিও হতাশ।” পথিক ফাস্ট ফুডের স্বত্তাধিকারী বিপ্লব কুমার দাস বলেন,“মাহে রমজানে বিক্রি ভালো হচ্ছে, যত দিন যাচ্ছে বিক্রি ততো বাড়ছে। প্রতিদিন প্রায় তিনশো লোকের ইফতার আইটেম বিক্রি হচ্ছে”।

এই সব আয়োজনের বাইরে আছে ব্যতিক্রমধমী ইফতার আয়োজন। ত্রিবেনী টাঙ্গাইল প্রতিদিন টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিনা মূল্য ইফতারের আয়োজন করছে। এই ইফতার সবার জন্য উন্মক্ত। বিশেষ করে ভবঘুরে, চলমান পথিক এবং নিম্ন বিত্তের মানুষের জন্য এই ইফতার আয়োজন। এই উদ্যেগ ইতিমধ্যে টাঙ্গাইলের সাধারন মানুষের কাছে প্রশংসা কুড়িয়েছে। এছাড়া “নিরালা ঘরের” স্বত্তাধিকারী মির্জা মাসুদ রুরেল রমজান মাসের প্রতি শুক্রবার বাদ মাগরিব টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য খিচুড়ীর আয়োজন করছেন।