ঢাকা ০২:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০২৪, ২৫ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইলে অকৃতকার্য হওয়ায় এস.এস.সি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৯:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ মে ২০১৮ ১৮ বার পড়া হয়েছে

এস.এস.সি পরীক্ষায় পর পর দুইবার গণিত বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় আত্মহত্যা করেছে শিমা খাতুন(১৮) নামের শিক্ষার্থী। রবিবার সন্ধ্যা ৭ টায় মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পার্শ্ববর্তী এলাকা সন্তোষ মাদারখোলার মুক্তার হোসেনের বাড়িতে গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস নিয়ে মারা যায়।

জানা যায়, মৃত শিমা খাতুন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৩য় বর্ষ ২য় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী আরজু হোসেনের ছোট বোন। তার পিতার নাম মোঃ শাহজাহান ও মাতার নাম আছিয়া বেগম। বাড়ি পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলার সোনাহারা গ্রামে। শিমা তার তিন বোন এবং এক ভাইয়ের মধ্যে ছোট। সে তার মাকে নিয়ে বড় ভাই আরজুর কাছে মুক্তার হোসেনের বাসায় ভাড়া থাকত। বড় ভাই আরজু ছাত্র-ছাত্রী পড়িয়ে সংসার খরচ ও বোনকে পড়াশুনা করাত।

গত বছর এস.এস.সি পরীক্ষায় গণিত বিষয়ে সে অকৃতকার্য হয় এবারও একই বিষয়ে আবারও অকৃতকার্য হয়। কয়েকদিন যাবৎ তার বাবা অসুস্থ থাকায় তার মা গ্রামের বাড়িতে যায়। ঘটনার দিন সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিটে বোনকে একা রেখে ছাত্র পড়াতে যায়এবং ৮.৩০ মিনিটে আরজু রুমে এসে তার বোনকে মৃত দেখতে পায়।

এ বিষয়ে কাগমারী পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আরিফ ফয়সাল বলেন, আমরা প্রাথমিক তদন্ত করে নিশ্চিত হয়েছি এটা আত্মহত্যা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

টাঙ্গাইলে অকৃতকার্য হওয়ায় এস.এস.সি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা

আপডেট সময় : ১০:০৯:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ মে ২০১৮

এস.এস.সি পরীক্ষায় পর পর দুইবার গণিত বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় আত্মহত্যা করেছে শিমা খাতুন(১৮) নামের শিক্ষার্থী। রবিবার সন্ধ্যা ৭ টায় মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পার্শ্ববর্তী এলাকা সন্তোষ মাদারখোলার মুক্তার হোসেনের বাড়িতে গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস নিয়ে মারা যায়।

জানা যায়, মৃত শিমা খাতুন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৩য় বর্ষ ২য় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী আরজু হোসেনের ছোট বোন। তার পিতার নাম মোঃ শাহজাহান ও মাতার নাম আছিয়া বেগম। বাড়ি পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলার সোনাহারা গ্রামে। শিমা তার তিন বোন এবং এক ভাইয়ের মধ্যে ছোট। সে তার মাকে নিয়ে বড় ভাই আরজুর কাছে মুক্তার হোসেনের বাসায় ভাড়া থাকত। বড় ভাই আরজু ছাত্র-ছাত্রী পড়িয়ে সংসার খরচ ও বোনকে পড়াশুনা করাত।

গত বছর এস.এস.সি পরীক্ষায় গণিত বিষয়ে সে অকৃতকার্য হয় এবারও একই বিষয়ে আবারও অকৃতকার্য হয়। কয়েকদিন যাবৎ তার বাবা অসুস্থ থাকায় তার মা গ্রামের বাড়িতে যায়। ঘটনার দিন সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিটে বোনকে একা রেখে ছাত্র পড়াতে যায়এবং ৮.৩০ মিনিটে আরজু রুমে এসে তার বোনকে মৃত দেখতে পায়।

এ বিষয়ে কাগমারী পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আরিফ ফয়সাল বলেন, আমরা প্রাথমিক তদন্ত করে নিশ্চিত হয়েছি এটা আত্মহত্যা।