ঢাকা ০৪:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইলের সখীপুরে গোরস্থান দখল টয়লেট নির্মাণের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মার্চ ২০১৮ ১৮ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের সখীপুরে মুক্তিযোদ্ধা আবদুল জলিল মিয়া ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে প্রায় ২’শ বছরের পুরাতন সামাজিক গোরস্থান দখলের অভিযোগ ওঠেছে। তিনি ওই গোরস্থানের জমি দখল করে টয়লেট ও রান্নাঘর নির্মান করেছেন। বিচার সমাজবাসী স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবেদন করলেও মীমাংসায় রাজী নয় ওই পরিবার। এতে সমাজবাসী ও এলাকার লোকজন ক্ষীপ্ত হয়ে ওঠেছে। উপজেলার নবগঠিত দাড়িয়াপুর ইউনিয়নের দাড়িয়াপুর হাইস্কুল পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ দিকে স্থানীয়রা ওই গোরস্থানের জমিতে মাটি ভরাট ও সংস্কার করতে চাইলে ওল্টো গাছ কাটার ক্ষতি পূরণ চেয়ে সখীপুর থানায় লিখেত অভিযোগ দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা আবদুল জলিল।
বুধবার ওই গোরস্থানে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ২’শ বছরের পুরনো দাড়িয়াপুর হাইস্কুল পাড়া জামে মসজিদের সমাজের পূর্ব পুরুষ প্রয়াত নছিম উদ্দিন সরকার, নেহাল উদ্দিন সরকার, হাকিম উদ্দিন সরকার, নেয়ামত আলী সরকার ও কেরু সরকারের দানকৃত ৮৩৭ দাগের ৩৫ শতাংশ জমির ওপর দেড় শতাধিক পরিবারের একমাত্র পারিবারিক গোরস্থানের জমির ওপর দুইটি টয়লেট, একটি রান্না ঘর নির্মাণ ও একটি টিউবয়েল স্থাপন করেছেন মুক্তিযোদ্ধা আ. জলিল মিয়া ও তাঁর পরিবার। বিষয়টি মীমাংসায় ২০০৭ থেকে অদ্যবধি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা দফায় দফায় শালিশী বৈঠক ডাকলেও আ. জলিল মিয়া উপস্থিতি হননি। কোন কাগজপত্র দেখাতে না পারলেও দুটি টয়লেট, রান্নাঘর ও টিউবয়েল ও গাছপালা তাঁর জমির ওপরই করা হয়েছে বলে দাবি করেন মুক্তিযোদ্ধা আবদুল জলিল মিয়া।
ওই সমাজের বৃদ্ধ আবুবকর সিদ্দিক অভিযোগ করে বলেন, আবদুল জলিলের ছেলে ও ছেলের বউ পুলিশের চাকুরী করে এই জোর দেখিয়েই গোরস্থানের জমির ওপর টয়লেট ও রান্নাঘর নির্মাণ করেছেন। সমাজবাসী বাঁধা দিতে গেলে বউদের লাঠিসোটা দিয়ে পাঠিয়ে দেয়। বিচার শালিশ ডাকলেও সে হাজির হয়না।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আনসার আলী আসিফ বলেন, বিষয়টি মীমাংসা দিতে বারবার চেষ্টা করা হয়েছে

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

টাঙ্গাইলের সখীপুরে গোরস্থান দখল টয়লেট নির্মাণের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৯:৩৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মার্চ ২০১৮

টাঙ্গাইলের সখীপুরে মুক্তিযোদ্ধা আবদুল জলিল মিয়া ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে প্রায় ২’শ বছরের পুরাতন সামাজিক গোরস্থান দখলের অভিযোগ ওঠেছে। তিনি ওই গোরস্থানের জমি দখল করে টয়লেট ও রান্নাঘর নির্মান করেছেন। বিচার সমাজবাসী স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবেদন করলেও মীমাংসায় রাজী নয় ওই পরিবার। এতে সমাজবাসী ও এলাকার লোকজন ক্ষীপ্ত হয়ে ওঠেছে। উপজেলার নবগঠিত দাড়িয়াপুর ইউনিয়নের দাড়িয়াপুর হাইস্কুল পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ দিকে স্থানীয়রা ওই গোরস্থানের জমিতে মাটি ভরাট ও সংস্কার করতে চাইলে ওল্টো গাছ কাটার ক্ষতি পূরণ চেয়ে সখীপুর থানায় লিখেত অভিযোগ দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা আবদুল জলিল।
বুধবার ওই গোরস্থানে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ২’শ বছরের পুরনো দাড়িয়াপুর হাইস্কুল পাড়া জামে মসজিদের সমাজের পূর্ব পুরুষ প্রয়াত নছিম উদ্দিন সরকার, নেহাল উদ্দিন সরকার, হাকিম উদ্দিন সরকার, নেয়ামত আলী সরকার ও কেরু সরকারের দানকৃত ৮৩৭ দাগের ৩৫ শতাংশ জমির ওপর দেড় শতাধিক পরিবারের একমাত্র পারিবারিক গোরস্থানের জমির ওপর দুইটি টয়লেট, একটি রান্না ঘর নির্মাণ ও একটি টিউবয়েল স্থাপন করেছেন মুক্তিযোদ্ধা আ. জলিল মিয়া ও তাঁর পরিবার। বিষয়টি মীমাংসায় ২০০৭ থেকে অদ্যবধি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা দফায় দফায় শালিশী বৈঠক ডাকলেও আ. জলিল মিয়া উপস্থিতি হননি। কোন কাগজপত্র দেখাতে না পারলেও দুটি টয়লেট, রান্নাঘর ও টিউবয়েল ও গাছপালা তাঁর জমির ওপরই করা হয়েছে বলে দাবি করেন মুক্তিযোদ্ধা আবদুল জলিল মিয়া।
ওই সমাজের বৃদ্ধ আবুবকর সিদ্দিক অভিযোগ করে বলেন, আবদুল জলিলের ছেলে ও ছেলের বউ পুলিশের চাকুরী করে এই জোর দেখিয়েই গোরস্থানের জমির ওপর টয়লেট ও রান্নাঘর নির্মাণ করেছেন। সমাজবাসী বাঁধা দিতে গেলে বউদের লাঠিসোটা দিয়ে পাঠিয়ে দেয়। বিচার শালিশ ডাকলেও সে হাজির হয়না।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আনসার আলী আসিফ বলেন, বিষয়টি মীমাংসা দিতে বারবার চেষ্টা করা হয়েছে