ঢাকা ০২:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

খনি ধসে পাকিস্তানে নিহত ১৬

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫২:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ মে ২০১৮ ১২ বার পড়া হয়েছে

পাকিস্তানের গ্যাস বিস্ফোরণে কয়লাখনি ধসে ১৬ শ্রমিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন নয়জন।

তেল ও গ্যাসসম্পদে সমৃদ্ধ বেলুচিস্তান প্রদেশের রাজধানী কোয়েটা জেলার ৪৫ কিলোমিটার পূর্বে মারওয়ার এলাকায় গতকাল শনিবার এ দুর্ঘটনা ঘটে। কোয়েটা জেলার সঙ্গে ইরান ও আফগানিস্তানের সীমান্ত রয়েছে।

কোয়েটার একজন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা জাওয়ায়িদ শাহওয়ানি জানান, খনিতে জমে যাওয়া মিথেন গ্যাসের কারণে ওই বিস্ফোরণ হয় এবং ছাদ ধসে পড়ে বাইরে বের হওয়ার পথটি বন্ধ হয়ে যায়। এ কারণে শ্রমিকেরা ভেতরেই আটকা পড়েন।

শাহওয়ানি বলেন, ‘বিস্ফোরণের সময় খনিত ২৫ শ্রমিক কাজ করছিলেন। আহত শ্রমিকদের কোয়েটার বোলান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আমরা খনিতে চাপা পড়ে থাকা লাশগুলো উদ্ধারের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।’

এদিকে কোয়েটা থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার পূর্বে সুর-রেঞ্জ এলাকায় আরেকটি কয়লাখনির মাটি ধসে দুই শ্রমিক নিহত হয়েছেন। খনিটি পাকিস্তান মিনারেল ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন দ্বারা পরিচালিত। দুর্ঘটনার সময় সাতজন কাজ করছিলেন।

২০১১ সালেও বেলুচিস্তানে গ্যাস বিস্ফোরণে কয়লাখনি ধসে অন্তত ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

খনি ধসে পাকিস্তানে নিহত ১৬

আপডেট সময় : ০৭:৫২:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ মে ২০১৮

পাকিস্তানের গ্যাস বিস্ফোরণে কয়লাখনি ধসে ১৬ শ্রমিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন নয়জন।

তেল ও গ্যাসসম্পদে সমৃদ্ধ বেলুচিস্তান প্রদেশের রাজধানী কোয়েটা জেলার ৪৫ কিলোমিটার পূর্বে মারওয়ার এলাকায় গতকাল শনিবার এ দুর্ঘটনা ঘটে। কোয়েটা জেলার সঙ্গে ইরান ও আফগানিস্তানের সীমান্ত রয়েছে।

কোয়েটার একজন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা জাওয়ায়িদ শাহওয়ানি জানান, খনিতে জমে যাওয়া মিথেন গ্যাসের কারণে ওই বিস্ফোরণ হয় এবং ছাদ ধসে পড়ে বাইরে বের হওয়ার পথটি বন্ধ হয়ে যায়। এ কারণে শ্রমিকেরা ভেতরেই আটকা পড়েন।

শাহওয়ানি বলেন, ‘বিস্ফোরণের সময় খনিত ২৫ শ্রমিক কাজ করছিলেন। আহত শ্রমিকদের কোয়েটার বোলান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আমরা খনিতে চাপা পড়ে থাকা লাশগুলো উদ্ধারের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।’

এদিকে কোয়েটা থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার পূর্বে সুর-রেঞ্জ এলাকায় আরেকটি কয়লাখনির মাটি ধসে দুই শ্রমিক নিহত হয়েছেন। খনিটি পাকিস্তান মিনারেল ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন দ্বারা পরিচালিত। দুর্ঘটনার সময় সাতজন কাজ করছিলেন।

২০১১ সালেও বেলুচিস্তানে গ্যাস বিস্ফোরণে কয়লাখনি ধসে অন্তত ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল।