ঢাকা ০৩:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আশা জাগিয়েও বাংলাদেশের তিন রানের হার।

নিউজ ডেস্ক।
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৮:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মার্চ ২০২৪ ৭৬ বার পড়া হয়েছে

ইনিংসের করা প্রথম ওভারে লিটন দাস কট বিহাইন্ড। লিটনের পথ ধরেন অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে সৌম্য সরকার। তিনি ১১ বলে দুই বাউন্ডারিতে করেন ১২ রান। পাওয়ার প্লে তে দুই ওপেনার কে হারিয়ে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। তাওহীদ হৃদয় শুরু করেন বিশাল এক ছক্কায় কিন্তু ঝুঁকি নিয়ে খেলতে গিয়ে হারিয়েছেন নিজের উইকেট।

পাওয়ার প্লে তে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪৩। নাজমুল শান্ত যেন কোন ভাবেই ফর খুঁজে পাচ্ছেন না তিনি ২২ বলে করেন ২০ রান। ২০২২ সালের পর আজি প্রথম টি-টোয়েন্টি খেলতে নেমে মাহমুদুল্লাহ দেখালেন এক বিশাল আলোর ঝলক। হেরে যাওয়া ম্যাচটা প্রায় ঘুরিয়ে ফেলছিলেন তিনি কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৩১বলে ৫৪রানে থামে মাহমুদুল্লাহর টর্নেডো ইনিংস। এই ইনিংসে মাহমুদুল্লাহর ব্যাটে ছিল দুই  চার চারটি ছয়।

তার পরবর্তীতে বাংলাদেশের পুরো ইনিংসি ছিল জাকের আলিময় তিনি ২৫ বলে ৫০ রান করে ম্যাচের চিত্র পাল্টিয়ে দেন। যেখানে বাংলাদেশ ম্যাচ জেতার কোনো সম্ভাবনাই দেখছিল না সেখানে ম্যাচ জয়ের স্বপ্ন দেখা শুরু করে জাকির আলীর কল্যাণে। তার ইনিংস থামে ৩৪ বলে ৬৮ রানে যেখানে ছিল চারটি চার এবং ছয়টি বিশাল ছক্কা। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ২০০ স্টাইক রেট নিয়ে সাজিয়েছেন নিজের এই ইনিংস টি। জাকেরের কল্যাণে শেষ ওভারে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ১২ রানের।

জাকির আলী আউট হওয়ার পর শরিফুল ইসলাম চার মেরে রোমাঞ্চটা জমিয়ে রেখেছিলেন কিন্তু শেষ বলে জয়ের জন্য দরকার ছিল ৪ কিন্তু তাসকিন একরানের বেশি নিতে পারেননি শেষ বলে যে কারণে ম্যাচটি হেরে যায় বাংলাদেশ।

হেরে গেলেও বাংলাদেশ দলের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হলো জাকের আলী এবং মাহমুদুল্লাহর ইনিংস দুটি। বাংলাদেশের টপ অর্ডার যদি একটু ভালো খেলতো তাহলে হয়তো জয় বাংলাদেশেরই হতো এই আক্ষেপ রয়ে গেল দর্শকের মনে।

এস এম সজল/ব্যতিক্রম নিউজ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আশা জাগিয়েও বাংলাদেশের তিন রানের হার।

আপডেট সময় : ০৫:৩৮:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মার্চ ২০২৪

ইনিংসের করা প্রথম ওভারে লিটন দাস কট বিহাইন্ড। লিটনের পথ ধরেন অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে সৌম্য সরকার। তিনি ১১ বলে দুই বাউন্ডারিতে করেন ১২ রান। পাওয়ার প্লে তে দুই ওপেনার কে হারিয়ে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। তাওহীদ হৃদয় শুরু করেন বিশাল এক ছক্কায় কিন্তু ঝুঁকি নিয়ে খেলতে গিয়ে হারিয়েছেন নিজের উইকেট।

পাওয়ার প্লে তে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪৩। নাজমুল শান্ত যেন কোন ভাবেই ফর খুঁজে পাচ্ছেন না তিনি ২২ বলে করেন ২০ রান। ২০২২ সালের পর আজি প্রথম টি-টোয়েন্টি খেলতে নেমে মাহমুদুল্লাহ দেখালেন এক বিশাল আলোর ঝলক। হেরে যাওয়া ম্যাচটা প্রায় ঘুরিয়ে ফেলছিলেন তিনি কিন্তু শেষ পর্যন্ত ৩১বলে ৫৪রানে থামে মাহমুদুল্লাহর টর্নেডো ইনিংস। এই ইনিংসে মাহমুদুল্লাহর ব্যাটে ছিল দুই  চার চারটি ছয়।

তার পরবর্তীতে বাংলাদেশের পুরো ইনিংসি ছিল জাকের আলিময় তিনি ২৫ বলে ৫০ রান করে ম্যাচের চিত্র পাল্টিয়ে দেন। যেখানে বাংলাদেশ ম্যাচ জেতার কোনো সম্ভাবনাই দেখছিল না সেখানে ম্যাচ জয়ের স্বপ্ন দেখা শুরু করে জাকির আলীর কল্যাণে। তার ইনিংস থামে ৩৪ বলে ৬৮ রানে যেখানে ছিল চারটি চার এবং ছয়টি বিশাল ছক্কা। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ২০০ স্টাইক রেট নিয়ে সাজিয়েছেন নিজের এই ইনিংস টি। জাকেরের কল্যাণে শেষ ওভারে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ১২ রানের।

জাকির আলী আউট হওয়ার পর শরিফুল ইসলাম চার মেরে রোমাঞ্চটা জমিয়ে রেখেছিলেন কিন্তু শেষ বলে জয়ের জন্য দরকার ছিল ৪ কিন্তু তাসকিন একরানের বেশি নিতে পারেননি শেষ বলে যে কারণে ম্যাচটি হেরে যায় বাংলাদেশ।

হেরে গেলেও বাংলাদেশ দলের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হলো জাকের আলী এবং মাহমুদুল্লাহর ইনিংস দুটি। বাংলাদেশের টপ অর্ডার যদি একটু ভালো খেলতো তাহলে হয়তো জয় বাংলাদেশেরই হতো এই আক্ষেপ রয়ে গেল দর্শকের মনে।

এস এম সজল/ব্যতিক্রম নিউজ।