ঢাকা ০৬:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আগামী নির্বাচনে নৌকায় ভোট দিলে সোনার বাংলা উপহার দেবেন : প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৮:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মার্চ ২০১৮ ২৩ বার পড়া হয়েছে

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড় মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি, তারা তো লুটপাটেই ব্যস্ত, দুর্নীতিতেই ব্যস্ত। প্রায় ৯৮০ কোটি টাকা তার ছেলেরা ব্যাংক থেকে লুট করে নিয়ে গেছে। একটা টাকাও ফেরত দেয় নাই।

শেখ হাসিনা বলেন, এতিমদের জন্য টাকা এসেছে, একটি টাকাও এতিমদের দেয় নাই। নিজেরা মেরে খেয়েছে। মামলা দিয়েছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার। সেই মামলায় আদালত শাস্তি দিয়েছেন। এতিমের টাকা মেরে খাওয়ার বিষয়ে কোরআনেও বলা আছে।

তিনি বলেন, এখন আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছে। যে এতিমের টাকা চুরি করে তার জন্য আন্দোলন কীসের?

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী বলেন? গলা ফুলিয়ে কথা বলতে বলতে গলাও খারাপ হয়ে যায়। গলার চিকিৎসা করাতে হয়। সারাদিন মিথ্যা কথা বললে আল্লাহ নারাজ হয়। মির্জা ফখরুল ইসলাম সারাদিন মিথ্যা কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বিমানমন্ত্রী ছিলেন, সৈয়দপুর বিমানবন্দর বন্ধ করে দিয়েছিল। আমরা ক্ষমতায় এসে সেই বিমানবন্দর চালু করেছি। এরা ধ্বংস করতে পারে, সৃষ্টি করতে জানে না। লুটপাট করতে জানে, উন্নয়ন দিতে জানে না।ঠাকুরগাঁওবাসীর উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, “আমি আপনাদের কাছে ওয়াদা চাই। গত নির্বাচনে তিনটি আসনেই আপনারা নৌকা মার্কায় ভোট দিয়েছিলেন। ২০১৮ এর ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনে আমি আপনাদের কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চাই…আপনার ওয়াদা করেন, হাত তুলে ওয়াদা করেন নৌকা মার্কায় ভোট দেবেন।”

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, বিএনপির এটাই কাজ, মানুষকে হত্যা করা। মানুষ হত্যা করে তারা দেশকে কোথায় নিয়ে যেতে চাইছিল? আমি ধন্যবাদ জানাই বাংলার মানুষকে

বিএনপি উন্নয়ন না করতে পারার কারণ হিসেবে শেখ হাসিনা বলেন, কারণ তার সঙ্গে যুদ্ধাপরাধী, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায় নাই, বাংলাদেশের মানুষের উন্নয়ন চায় না। বাংলাদেশের মানুষকে দরিদ্র করে রাখতে চেয়েছিল। তাদের হাতে বাংলাদেশের উন্নয়ন হতে পারে না।

ঠাকুরগাঁওবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমার কাছে দাবি করার প্রয়োজন নাই। এই বাংলাদেশ আমি চিনি। আমি সমগ্র বাংলাদেশ সফর করেছি। আমি জানি কোথায় মানুষের কী লাগবে।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে জনসভায় আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ এম মাহমুদ আলী, দলের যুগ্ম সাধারণ মাহবুব উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ, ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আগামী নির্বাচনে নৌকায় ভোট দিলে সোনার বাংলা উপহার দেবেন : প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০১:১৮:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মার্চ ২০১৮

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড় মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি, তারা তো লুটপাটেই ব্যস্ত, দুর্নীতিতেই ব্যস্ত। প্রায় ৯৮০ কোটি টাকা তার ছেলেরা ব্যাংক থেকে লুট করে নিয়ে গেছে। একটা টাকাও ফেরত দেয় নাই।

শেখ হাসিনা বলেন, এতিমদের জন্য টাকা এসেছে, একটি টাকাও এতিমদের দেয় নাই। নিজেরা মেরে খেয়েছে। মামলা দিয়েছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার। সেই মামলায় আদালত শাস্তি দিয়েছেন। এতিমের টাকা মেরে খাওয়ার বিষয়ে কোরআনেও বলা আছে।

তিনি বলেন, এখন আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছে। যে এতিমের টাকা চুরি করে তার জন্য আন্দোলন কীসের?

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী বলেন? গলা ফুলিয়ে কথা বলতে বলতে গলাও খারাপ হয়ে যায়। গলার চিকিৎসা করাতে হয়। সারাদিন মিথ্যা কথা বললে আল্লাহ নারাজ হয়। মির্জা ফখরুল ইসলাম সারাদিন মিথ্যা কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বিমানমন্ত্রী ছিলেন, সৈয়দপুর বিমানবন্দর বন্ধ করে দিয়েছিল। আমরা ক্ষমতায় এসে সেই বিমানবন্দর চালু করেছি। এরা ধ্বংস করতে পারে, সৃষ্টি করতে জানে না। লুটপাট করতে জানে, উন্নয়ন দিতে জানে না।ঠাকুরগাঁওবাসীর উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, “আমি আপনাদের কাছে ওয়াদা চাই। গত নির্বাচনে তিনটি আসনেই আপনারা নৌকা মার্কায় ভোট দিয়েছিলেন। ২০১৮ এর ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনে আমি আপনাদের কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চাই…আপনার ওয়াদা করেন, হাত তুলে ওয়াদা করেন নৌকা মার্কায় ভোট দেবেন।”

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, বিএনপির এটাই কাজ, মানুষকে হত্যা করা। মানুষ হত্যা করে তারা দেশকে কোথায় নিয়ে যেতে চাইছিল? আমি ধন্যবাদ জানাই বাংলার মানুষকে

বিএনপি উন্নয়ন না করতে পারার কারণ হিসেবে শেখ হাসিনা বলেন, কারণ তার সঙ্গে যুদ্ধাপরাধী, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায় নাই, বাংলাদেশের মানুষের উন্নয়ন চায় না। বাংলাদেশের মানুষকে দরিদ্র করে রাখতে চেয়েছিল। তাদের হাতে বাংলাদেশের উন্নয়ন হতে পারে না।

ঠাকুরগাঁওবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমার কাছে দাবি করার প্রয়োজন নাই। এই বাংলাদেশ আমি চিনি। আমি সমগ্র বাংলাদেশ সফর করেছি। আমি জানি কোথায় মানুষের কী লাগবে।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে জনসভায় আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ এম মাহমুদ আলী, দলের যুগ্ম সাধারণ মাহবুব উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ, ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ প্রমুখ।