শিরোনাম
বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্যে দিয়ে স্বাধীনতাকেই হত্যা করা হয়েছে: বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী Headline Bullet       নাগরপুরে গ্রাহক সেবা উন্নয়ন শীর্ষক মতবিনিময় সভা Headline Bullet       চারঘন্টা পর ঢাকার স‌ঙ্গে ট্রেন চলাচল স্বাভা‌বিক Headline Bullet       টাঙ্গাইলে কম্পিউটার ট্রেন ইঞ্জিন বিকল,উত্তর বঙ্গের সাথে যোগাযোগ বন্ধ Headline Bullet       টাঙ্গাইল ক্যাপসুল মার্কেটের পার্কিংয়ের জায়গায় বসানো অবৈধ দোকান উচ্ছেদ Headline Bullet       শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম, ৫ বছরে একদিনও হয়নি খেলাধুলা, বসানো হয় গরু-ছাগলের হাট Headline Bullet       মির্জাপুরে অমর একুশে বই মেলা শুরু Headline Bullet       টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ওয়ার্কসপ কর্মচারীকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার Headline Bullet       ১১ দিনেও গ্রেফতার হয়নি পলাতক আরও দুই আসামিপলাতকদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি এলাকাবাসীর Headline Bullet       টাঙ্গাইল যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে সড়ক বিভাগের সড়ক সংস্কার কাজ বন্ধের অভিযোগ Headline Bullet      

বাসাইলে রাস্তার কাজ না করেই টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

সোনালী বাংলাদেশ নিউজ
সম্পাদনাঃ ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ - ০৩:৪৮:৩২ পিএম


সোনালী বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক :
টাঙ্গাইলের বাসাইল পৌরসভার ৫,৯ নং ওয়ার্ডে ২০২১-২০২২ অর্থবছরের টি আর কর্মসূচীর ২টি প্রকল্পের গ্রামীণ রাস্তা সংস্কারের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ।
জানা যায়, বাসাইল পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের  ২০২১-২২ অর্থবছরে টি আর কর্মসূচীর আওতায় অবকাঠামো উন্নয়নে বালিনা বাবু মন্ডলের বাড়ির উত্তর পাশ হতে সফিক মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত মাটির রাস্তা মেরামতের জন্য ৪৮ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয় এবং ৯নং ওয়ার্ডের বাসাইল নলুয়া রাস্তা হতে বিকাশের বাড়ি পর্যন্ত মাটি ভরাট ও তালগাছ রোপনের জন্য ৪৮ হাজার টাকার বরাদ্দ দেয়া হয়।  এ টাকা উত্তোলন করা হলেও সরেজমিনে কোনো ধরনের কাজ না করে আত্মসাত করেন ৫নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম ও ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এইচ এম এরশাদ আলম।

অভিযোগ উঠেছে, এই রাস্তার কাজে কোনো টাকা ব্যয় করা হয়নি। এলাকাবাসীরা অভিযোগ করেন বাসাইল পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম ও ৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এইচ এম এরশাদ আলম সম্পূর্ণ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

এ ব্যাপারে বিকাশ চন্দ্র সরকার বলেন,কেউ কোনো টাকাও দেয় নাই, তালগাছও রোপন করে নাই।আমাদের নিজস্ব টাকা দিয়ে নিজেরাই মাটি ভরাট করেছি। এই রাস্তার মাটি  ভরাটের জন্য দেড় লাখ টাকার মতো লেগেছে।সরকারি কোনো অনুদান পাইনি।

বিকাশের বাবা নিবারণ চন্দ্র সরকার বলেন, আমার নিজের রাস্তা নিজের টাকা দিয়েই করছি।এই রাস্তার জন্য সরকারি কোন অনুদান নাই,কেউ কোনো টাকা দেয় নাই।
প্রকল্পের সভাপতি কাউন্সিলর এইচ এম এরশাদ আলম মুঠোফোনে বলেন, আমি আপনার সাথে সরাসরি কথা বলি বলে ফোন কেটে দেন।
এ ব্যাপারে সফিক মিয়া বলেন, গত পাঁচ বছরে এই রাস্তায় কোন মাটি তো দূরের কথা এক চিমটি বালিও পরে নাই।
স্থানীয় বাসিন্দা উমর আলী বলেন, বালিনা বাবু মন্ডলের বাড়ির উত্তর পাশ হতে সফিক মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তায় ৪-৫ বছরে এক কোদাল মাটিও পরে নাই।প্রতিনিয়ত এই রাস্তা দিয়েই আমি বাজারে যায়।
প্রকল্পের সভাপতি কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, বন্যার আগে মাটি দিয়ে রাস্তা মেরামত করেছিলাম পানিতে ধুয়ে গেছে।টি আরের কাজ তো আর সব হয় না আপনারা তো বুঝেন।
এ ব্যাপারে বাসাইল পৌরসভার মেয়র আব্দুর রহিম আহমেদ বলেন,৫,৯নং ওয়ার্ডে টি আর প্রকল্পের কাজের সভাপতি সাইফুল ও এরশাদ।ওরা দুইজন বলতে পারবে মাটি কতটুকু ফেলছে।পৌরসভা ঐ ভাবে প্রকল্পের কাজ গুলো দেখে না,টি আর প্রকল্পের কাজ গুলো দেখে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস।প্রকল্পের লেনদেন কাজ বুঝে নেওয়ার দায়িত্ব হলো উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেনের মুঠোফোনে কল দিলে মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

সর্বশেষ