শিরোনাম
কালিহাতীতে ৬ দোকান ভস্মীভূত Headline Bullet       ভূঞাপুরে বালু উত্তোলন বন্ধে লাঠি ও ঝাঁড়ু– নিয়ে এলাকাবাসীর মানববন্ধন Headline Bullet       কালিহাতীতে স্মরণ সভা অনুষ্ঠি Headline Bullet       প্যাড়াডাইস পাড়ায় দুর্গাপূজার প্লাটিনাম জয়ন্তী উদযাপিত হবে Headline Bullet       নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহন নিশ্চিত করতে সর্বাত্বক চেষ্টা করবে সরকার —কৃষিমন্ত্রী Headline Bullet       নিজ উপজেলায় সংবর্ধনায় সিক্ত বিশ্বজয়ী তাকরীম Headline Bullet       টাঙ্গাইলে জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব জেলা হাজতে  Headline Bullet       টাঙ্গাইলের মির্জাপুর ২৪ জাতের কুকুরের খামার, আমদানির চেয়ে ৫০ ভাগ সাশ্রয় Headline Bullet       কালিহাতীতে শেখ হাসিনার ৭৬ তম জন্মদিন পালিত Headline Bullet       পুলিশ ফাঁড়িতে আসামীর আত্মহত্যা, হত্যার অভিযোগে এলাকাবসীর বিক্ষোভ Headline Bullet      

টাঙ্গাইলে শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মাদিনে শ্রদ্ধা

সোনালী বাংলাদেশ নিউজ
সম্পাদনাঃ ০৮ আগস্ট ২০২২ - ০১:৫১:৫৬ পিএম

সোনালী বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক : টাঙ্গাইলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজীবন সহযাত্রী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। 

সোমবার (৮ আগস্ট) সকালে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সামনে জনসেবা চত্বরে প্রথমে জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গনি শ্রদ্ধা জানান। 

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতু নেছা মুজিব ও ১৫ আগস্টের হত্যাযজ্ঞে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাতের পাশাপাশি প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা ও দেশের কল্যাণে দোয়া করা হয়। 

টাঙ্গাইল সদর-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো: ছানোয়ার হোসেন, জেলা পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, পৌরসভার পক্ষে মেয়র এসএম সিরাজুল হক, জেলা পরিষদের পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার ফরহাদ আহমদ, স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষে সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, উপজেলা পরিষদের পক্ষে চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুন, স্থানীয় সরকার প্রকৈশলী অধিদপ্তরের (এলজিইডি) মো. রফিকুল ইসলাম, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা শ্রদ্ধা জানান।

বঙ্গমাতা ১৯৩০ সালের ৮ আগস্ট তৎকালীন গোপালগঞ্জ জেলার (তৎকালীন মহকুমা) টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার ডাকনাম ছিল রেণু। বাবার নাম শেখ জহুরুল হক, মায়ের নাম হোসনে আরা বেগম। এক ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন ছোট। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে তিনি জাতির পিতার হত্যাকারীদের হাতে নির্মমভাবে শাহাদাৎবরণ করেন।

বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের মধ্যদিয়ে স্বাধীনতা লাভ করে বাংলাদেশ। এ লড়াই-সংগ্রাম-আন্দোলনের নেপথ্যে প্রেরণাদাত্রী ছিলেন ফজিলাতুন নেছা মুজিব। তিনি বঙ্গবন্ধুর গোটা রাজনৈতিক জীবনে ছায়ার মতো অনুসরণ করে তার প্রতিটি কাজে প্রেরণার উৎস হয়ে ছিলেন। বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ছয় দফা ঘোষণার পর বঙ্গবন্ধু যখন বারবার পাকিস্তানি শাসকদের হাতে বন্দি জীবনযাপন করছিলেন, তখন আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের কাছে ছুটে যেতেন। তিনি তাদের বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা পৌঁছে দিতেন ও লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা যোগাতেন। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধুর প্যারোলে মুক্তি নিয়ে যখন কিছু কুচক্রী স্বাধীনতা সংগ্রামকে বিপন্ন করার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছিল, তখন প্যারোলে মুক্তির বিপক্ষে বেগম মুজিবের দৃঢ়চেতা অবস্থান বাংলার মুক্তি সংগ্রামকে ত্বরান্বিত করেছিল। স্বামী বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ছায়ার মতো অনুসরণ করা বেগম মুজিব জীবনে অনেক ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করেছেন। এজন্য অনেক কষ্ট-দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে তাকে।
এদেশের মানুষের আন্দোলন-সংগ্রামে বেগম মুজিব যে কর্তব্যনিষ্ঠা, দেশপ্রেম, দূরদর্শী চিন্তা, বুদ্ধিমত্তা ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন তার ফলে জাতির পিতার পাশাপাশি তিনি আজ বঙ্গমাতার আসনে অধিষ্ঠিত। এ দেশের রাজনীতিতে তার অনন্য সাধারণ ভূমিকার জন্য চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।  

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর
%d bloggers like this: