শিরোনাম
টাঙ্গাইলে স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান গ্রুপ নির্ণয় ও ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত       ওয়ারিশান সনদ বলবৎ রাখার দাবীতে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন       পোড়াবাড়ীতে মা’দুর্গা বিসর্জনের আগেই হিন্দুদের ভালবাসায় সিক্ত মিজান       টাঙ্গাইলে সাহিত্য সংসদ পুরস্কার প্রদান ও স্বরচিত কবিতা পাঠ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত       ৪ নং করটিয়া চেয়ারম্যান পদপার্থী মো.আকবর হোসেন       টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয় ভিক্তিক বইপড়া প্রতিযোগীতায় জাহ্নবী স্কুলের হুমায়রা তৃতীয়       ভূঞাপুরে উপ-নির্বাচনে আ’লীগের ১০ প্রার্থী, বি এন পি ১ ,স্বতন্ত্র ১       বিদেশ পাঠানোর কথা বলে প্রতারণা, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন       টাঙ্গাইলে পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ       বাসাইলে মহিলা চোর চক্রের চার সদস্য আটক      

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বিক্রি হওয়া শিশু ফিরে পেলো মায়ের কোল

সোনালী বাংলাদেশ নিউজ
সম্পাদনাঃ ১৬ জুলাই ২০২১ - ০৯:০৮:৩৩ পিএম

সোনালী বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক : টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মহামারি করোনায় কর্মহীন হয়ে অর্থাভাবে ৪৫ হাজার টাকায় তিনমাস বয়সী নিজের সন্তানকে বিক্রি করার ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন শুক্রবার শিশুটিকে উদ্ধার করে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিয়েছেন। জানা যায়, নগদাশিমলা ইউনিয়নের সৈয়দপুর পূর্বপাড়া গ্রামের দিন মজুর শাহ আলম ও রাবেয়া দম্পতির তিন পুত্র সন্তান। রাবেয়া জানান, দিন মজুর স্বামী শাহ আলমের উপার্জনে পাঁচজনের সংসার চলেনা। তারমধ্যে করোনায় কয়েকমাস ধরে শাহআলম বেকার। সংসারে বেশ কিছু ঋণ রয়েছে। পাওনাদাররা প্রতিদিনই সেজন্য তাগাদা দিচ্ছিলো। হতাশায় স্বামী গাজায় আসক্ত হয়ে পড়ে। এমতাবস্থায় পাওনা টাকা পরিশোধ ও সংসারের অনটনের দরুণ তিন মাস বয়সী আলহাজকে বাইশকাইল গৈজারপাড়া গ্রামের সবুজ মিয়া ও স্বপ্না দম্পতির নিকট ১৬ দিন আগে ৪৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন। গোপালপুর থানার ওসি মোশাররফ হোসেন জানান, সবুজ ও স্বপ্না দম্পতিও নিঃসন্তান। তারা শাহ আলম-রাবেয়া দম্পতির অনটনের সুযোগ নিয়ে টাকার বিনিময়ে শিশুটি কিনে নেয়। আদালতের অনুমতি নিয়ে দত্তক নেয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু তারা সেটি করেনি। এমতাবস্থায় প্রশাসন সবুজ মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে শিশু আলহাজকে উদ্ধার করে মা রাবেয়া বেগমের কোলে পৌঁছে দেয়। কেউ আগ্রহ প্রকাশ না করায় এবং মানবিক দিক বিবেচনায় থানায় কোন মামলা নেয়া হয়নি। গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পারভেজ মল্লিক জানান, ঘটনার নেপথ্যে দারিদ্রতা। পরিবারটিকে সার্বিকভাবে সহায়তা দেয়া হচ্ছে। রাবেয়া বেগমকে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে আয়া পদে চাকরির ব্যবস্থা করা হয়েছে। নগদ অর্থ ও খাদ্য সহায়তাও দেয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক মোঃ আতাউল গনি জানান, ওই শিশুর যাবতীয় ভরনপোষণ ও লেখাপড়ার দায়িত্ব নেবে জেলা প্রশাসন।

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর
%d bloggers like this: