শিরোনাম
টাঙ্গাইলে স্বেচ্ছাসেবী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান গ্রুপ নির্ণয় ও ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত       ওয়ারিশান সনদ বলবৎ রাখার দাবীতে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন       পোড়াবাড়ীতে মা’দুর্গা বিসর্জনের আগেই হিন্দুদের ভালবাসায় সিক্ত মিজান       টাঙ্গাইলে সাহিত্য সংসদ পুরস্কার প্রদান ও স্বরচিত কবিতা পাঠ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত       ৪ নং করটিয়া চেয়ারম্যান পদপার্থী মো.আকবর হোসেন       টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয় ভিক্তিক বইপড়া প্রতিযোগীতায় জাহ্নবী স্কুলের হুমায়রা তৃতীয়       ভূঞাপুরে উপ-নির্বাচনে আ’লীগের ১০ প্রার্থী, বি এন পি ১ ,স্বতন্ত্র ১       বিদেশ পাঠানোর কথা বলে প্রতারণা, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন       টাঙ্গাইলে পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ       বাসাইলে মহিলা চোর চক্রের চার সদস্য আটক      

লকডাউনে সখীপুরে আম বাজারে ধস নেমেছে

সোনালী বাংলাদেশ নিউজ
সম্পাদনাঃ ০৮ জুলাই ২০২১ - ০৪:২১:৫৭ পিএম

 সোনালী বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক : করোনা সংক্রমণ কালিন সময়ে কঠোর বিধিনিষেধের লকডাউনে আম নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন টাঙ্গাইলের সখীপুরের আম চাষি ও ব্যবসায়ীরা।

অন্য আমের তুলনায় আম্রপলি আম নিয়ে তারা বেশি চিন্তিত। আম বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন , পাইকার ও ক্রেতারা আসতে না পারায় এবার আমের দাম অনেকটাই কম। আবার লকডাউন শেষ হওয়া  অপেক্ষায় থাকলে গাছেই পচে নষ্ট হবে আম। এছাড়াও এমনিতেই আম্রপালি আম গাছেই অনেকটা পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই কম দাম জেনেও বাগান থেকে আম পেড়ে কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।

 ইন্দারজানি গ্রামের আম চাষি সিদ্দিক হোসেন বলেন, এবার আম বিক্রি করে উৎপাদন খরচ, কীটনাশক খরচ কিছুই উঠবে না। সারা বছর বাগানের জমিতে অন্য ফসল চাষ করলেও এর চেয়ে বেশি টাকা আসত।’
তবে আমের দামে চাষি ও ব্যবসায়ীরা হতাশ হলেও পছন্দের আম কম দামে কিনতে পেরে খুশি ক্রেতারা।

কালিদাস গ্রামের আম চাষি মাছুম আল মামুন জানান, তিনি প্রায় ৫ একর জমিতে বিভিন্ন জাতের আম বাগান করেছেন ফলনও বেশ ভালো হয়েছে । ‘অন্যবার এই সময় পাইকারদের আমের ব্যপক চাহিদা থাকে এবং ব্যবসায়ীরা টানাটানি শুরু করতো। এবার পাইকার দূরের কথা স্থানীয় ভাবেও ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না।’ করোনার কারনে দূর দুরান্তর থেকে পাইকার না আসায় আমের বাজার একদম কম। বর্তমানে এক মণ আম্রপালি আম বিক্রি হচ্ছে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা দরে। এর আগে কখনোই ২২০০ টাকার নিচে আম্রপালি আম বিক্রি হয়নি।তারা জানান  সখীপুরে যদি আম সংরক্ষনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হোত তবে কৃষক ক্ষতি গ্রস্থ হোত না।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকার আম চাষিরা বলছেন, স্থানীয় আম ব্যবসায়ীরা তাদের আম কিনছে না। রাজশাহী অঞ্চলের আম আরও কমে কিনে এনে বেশী দামে বিক্রি করছেন তারা। এতে করে আমাদের এলাকার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অন্য দিকে ক্রেতা কিংবা ব্যাপারী না থাকায় আমের বাজারে কোনো ধরনের হাঁকডাকই শোনা যায় না। কঠোর লকডাউনের কারণেই বাজারে ক্রেতা নেই। ঢাকার পাইকাররা আম কেনার সাহস পাচ্ছেন না।

সখীপুর উপজেলায় আমবাগান রয়েছে ২৪০ হেক্টর জমিতে। বিভিন্ন জেলায় সখীপুরের আমের আলাদা সুনাম রয়েছে। সখীপুর উপজেলায় এবার আমের বাম্পার ফলন হলেও ‘লকডাউন আতঙ্কে’ বাজারে ধস নেমেছে। গত বছরের তুলনায় বাজারে এবার আমের দাম অর্ধেকেরও কম।

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর
%d bloggers like this: