টাঙ্গাইলে স্বাবেক স্বামী কে ফাঁসানোর চেষ্টায় স্ত্রী নিজেই কারাগারে

সোনালী বাংলাদেশ নিউজ
সম্পাদনাঃ ০৮ ডিসেম্বর ২০২০ - ০৭:৩৬:০১ পিএম

সোনালী বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক : টাঙ্গাইল ধনবাড়ী উপজেলায় মৃত আব্দুল গনি মিয়ার মেয়ে নাসরিন সুলতানা (তাহমিনা) ধনবাড়িী উপজেলার হলুদিয়া গ্রামের মৃত নওয়াব আলীর ছেলে নাছির উদ্দিনের বিরুদ্ধে ৭৫ লক্ষ টাকার দাবিতে আদালতে মিথ্যা মামলা দায়ের করেন । পরে নাসরিনের চেক ডিজঅনারের মামলার নোটিস হাতে পেয়ে বুঝতে পারেন যে,  নাসরিন তার সাথে প্রতারণা করে ব্যাংকের  চেকে ইচ্ছে মতো টাকার অংক বসিয়ে তাকে  ফাঁসানোর চেষ্টা করছে । তাই তিনি সাবেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিঃ আমলী আদালতে চেক প্রতারনার অভিযোগে এনে  দন্ডবিধির আইনের ৪০৬ ও ৪২০ ধারায় মামলা করেন । আদালত মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কে এ তদন্ত  পূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দেন । গত মাসে পিবিআই আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন । প্রতিবেদনটি জমা দেওয়ার পর আদালত নাসরিনের নামে সমর জারি করেন । নাসরিন আইনজীবির মাধ্যেমে আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে দীর্ঘক্ষন  শুনানি শেষে আবেদন না নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরনের নির্দেশ দেন ।

মামলায় প্রকাশ বাদী নাছির উদ্দিন ছাত্রজীবনে ঢাকা বিশ্বিবিদ্যালেয়ে ভর্তি হয়ে লেখাপড়ার পাশাপাশি মধুপুরে ইউসিসি ইউনিভার্সিটি কোচিং সেন্টার খুলে । ঐ সময় নাসরিন সুলতানা কোচিং সেন্টারের ছাত্রী ছিলেন । কোচিং সেন্টারে উভয়ের মধ্যে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে উঠে । ১১/১/২০০৮ ইং সালে তারা বিয়ে করেন । তাদের সংসার জীবনে কোন প্রকার কলহ ছিল ছিল না । নাছির ভীষন ভালবাসতো নাসরিন সুলতানাকে । গত ১১/৫/২০১৯ সালের কিছুদিন পূর্বে ধনবাড়ী এলাকার এক ছেলে নাসরিনের সাথে তার কিছু ঘনিষ্ট ছবি ও তাদের মধ্যে অনৈতিক সর্ম্পক আছে বলে জানায় ।অশ্লীল কথাবার্তা অডিও রেকর্ড করে নাছিরের কাছে পাঠায় ।এবং সে জানতে পারে নাসরিনের সাথে তার অনৈতিক সর্ম্পক আছে ।ঐ কলহ নিয়ে তাদের সংসার জীবনে নানবিধ ঝামেলার সৃস্টি হয় । সে এক পর্যায়ে গত ১১/৫/২০১৯ ইং তারিখে নাসরিনকে আইনগত ভাবে তালাক প্রধান করেন । নাসরিন তালাকের নোটিস হাতে পেয়ে কিছুদিন পর নাছির উদ্দিনকে ফাঁসানোর জন্য নাছির উদ্দিনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি ধর্ষন মামলা নং (২২২/১৯)দায়ের করেন ।পরবর্তীতে পিবিআই এবং সি আই ডি তে দু’দফা তদন্ততের পর নাসরিন সুলতানের আনিত অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় বিজ্ঞ আদালত ধর্ষন মামলাটি খারিজ করে দেন ।
জানা যায় ১১/১/২০০৮ ইং সালে নাছির উদ্দিন ও নাসরিন সুলতানার সাথে পারিবারিক ভাবে রেজিষ্ট্রি কাবিন মূলে বিবাহ হয় ।সেই বিশ্বাসে তার নিকট নাছির উদ্দিনের তার টাকা পয়সা এবং চেকবই গচ্ছিত রাখেন । সেই সুযোগে নাসরিন নাসির উদ্দিনের স্বাক্ষর বিহীন চেকের পাতায় জাল স্বাক্ষর দিয়ে ৭৫ লক্ষ টাকা বসিয়ে চেক ডিজঅনারের মামলা করে সাবেক স্বামীকে ফাঁসানোর চেষ্টা করে । সাবেক স্বমী নাছির উদ্দিন ওই ৭৫ লক্ষ টাকার মামলার নোটিশ পেয়ে নাসরিনের বিরুদ্ধে প্রতারণার একটি মামলা নং ( সি আর ৬২০/২০২০) করেন ।

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর
%d bloggers like this: