শিরোনাম
সিরিজ বোমা হামলায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে টাঙ্গাইলে আওয়ামীলীগের বিক্ষোভ মিছিল Headline Bullet       অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি চেয়ারম্যান হেকমতের সংবাদ সম্মেলন Headline Bullet       টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে স্কুলছাত্রের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার Headline Bullet       টাঙ্গাইলে বীরমুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোঃ নুরুল ইসলাম আর নেই Headline Bullet       টাঙ্গাইলে লাইব্রেরিয়ান নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ Headline Bullet       টাঙ্গাইলে সাংবাদিকদের মাঝে অনুদানের চেক প্রদান Headline Bullet       টাঙ্গাইলে সদর থানা ও শহর বিএনপির আহবায়ক কমিটির আনন্দ Headline Bullet       শিহাব হত্যা মামলায় ৪ আসামির আত্মসমর্পণ, জামিন নামঞ্জুর Headline Bullet       বাসাইলে ৪টি ড্রেজার মেশিন ধ্বংস Headline Bullet       তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে জাতীয় পার্টির বিক্ষোভ ও সমাবেশ Headline Bullet      

২৫ অক্টোবর নাগরপুর গণহত্যা দিবস

সোনালী বাংলাদেশ নিউজ
সম্পাদনাঃ ২৫ অক্টোবর ২০১৯ - ০৫:৩৯:৩৯ পিএম

সেনালী বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক : আজ ২৫ অক্টোবর নাগরপুর গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার গয়হাটা ইউনিয়নের বনগ্রামের রসুলপুর গ্রামে বর্বরোচিত হামলা করে পাক হানাদার বাহিনী। হামলায় নিরীহ গ্রামবাসীসহ ৫৭ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়। বসত বাড়িতে অগ্নি সংযোগ করে জ্বালিয়ে দেওয়া হয় । এতোসব ধ্বংশ যজ্ঞ চালিয়েও ক্ষ্যান্ত হয়নি পাক সেনারা। তারা ঘর বাড়ি জ্বালিয়ে বহু গবাদি পশুও পুড়িয়ে মারে। হত্যা যজ্ঞের পর হানাদার বাহিনী চলে গেলে গ্রামবাসীর সহায়তায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের বনগ্রামে গন কবর দেয়া হয়। সেই থেকে প্রতি বছর এই দিনে শ্রদ্ধা জানাতে মুক্তিযোদ্ধা, নিহত মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও গ্রামবাসীরা ছুটে যান এ গণকবরে।
উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার সুজায়েত হোসেন জানান, ১৯৭১ সালের ২১ শে অক্টোবর বনগ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মুক্তিযোদ্ধারা অবস্থান নিয়েছে এমন সংবাদ পেয়ে সিরাজগঞ্জ থেকে গানবোট নিয়ে পাক হানাদার বাহিনী বনগ্রাম আক্রমন করে। শুরু হয় সম্মুখ যুদ্ধ। এ যুদ্ধে পাক হানাদার বাহিনীর ১ জন মেজর সহ ৩ জন নিহত হয়। আর মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে শহীদ হন জেলার কালিহাতী উপজেলার নজরুল ইসলাম নজু, মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার জাহাঙ্গীর আলম, আকতারুজ্জামান ও ওহাব আলী সহ ৭জন। অবস্থা বেগতিক দেখে পাক হানাদার বাহিনী পিছু হটে নিজ ক্যাম্পে ফিরে যায়। পরবর্তীতে পাক সেনারা ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে ২৫ শে অক্টোবর রাতে বনগ্রাম আক্রমন করে। মুহুর্মুহ গুলি ও অগ্নি সংযোগে বনগ্রাম ও আশপাশের এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পরে। আবালবৃদ্ধ, শিশু ও মহিলা কেউ রেহাই পায়নি হায়েনাদের হাত থেকে, হত্যা করে ৫৭ জন মুক্তিযোদ্ধাকে এবং ১২৯ টি বসতবাড়িতে অগ্নি সংযোগ করে। পরে তাদেরকে একত্রে মাটি চাপা দেওয়া হয়। স্বাধীনতার পরে ঐ স্থানটি বনগ্রাম গণকবর হিসেবে নাম করন করা হয় ।
মুক্তিযোদ্ধা আমির হমজা জানান, ১৯৭১ সালের ভয়াল ২৫ অক্টোবর কালরাতে পাক হানাদার বাহিনী অতর্কিত ভাবে বনগ্রাম গ্রামে হামলা চালায়। তারা গুলি ও বেয়োনেট দিয়ে খুচিয়ে তোফাজ্জল হোসেন, নূরুল ইসলাম ও হাজী খোদা বকস্ সহ ৫৭ জনকে হত্যা করে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, স্বাধীনতার ৪৮ বছর পেড়িয়ে গেলেও আজও বনগ্রাম গণ কবরের রাস্তাটি পাকা করন করা হয়নি। গনকবর সংরক্ষনের পাশাপাশি রাস্তাটি পাকা করনের দাবি জানান তিনি।

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর
%d bloggers like this: