শিরোনাম
মির্জাপুর সরকারি কলেজে অরিয়েন্টেশন Headline Bullet       টাঙ্গাইলে সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য ১০ টাকার হোটেল Headline Bullet       জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিরাপদ অভিবাসন ও দক্ষতা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত Headline Bullet       টাঙ্গাইলে বিএনপির লিফলেট বিতরণ Headline Bullet       নাগরপুরে যানজট নিরসনে মোবাইল কোর্ট Headline Bullet       মির্জাপুরে পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচি উদ্ধুদ্ধকরন উদ্বুদ্ধকরন কর্মশালা অনুষ্ঠিত। Headline Bullet       মির্জাপুরে ভারতেশ্বরী হোমসের ছাত্রীর আত্মহত্যা Headline Bullet       গণমুক্তি পত্রিকার ৫০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে টাঙ্গাইলে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ Headline Bullet       টাঙ্গাইলে ক্ষমা পেলেন বিদ্রোহী নির্বাচন করা চার উপজেলা চেয়ারম্যান Headline Bullet       নাগরপুরে এসএসসি ৯৩ ব্যাচ এর ৩০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান Headline Bullet      

টাঙ্গাইলের ঐতিহ্য- টি পন্ড

সোনালী বাংলাদেশ নিউজ
সম্পাদনাঃ ০১ জুলাই ২০১৯ - ০৭:৫৭:০৩ পিএম

সোনালী বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক :
টাঙ্গাইল পৌর শহরের সন্তোষ এলাকায় রয়েছে পুরাতন একটি পুকুর। ইংরেজী অক্ষর “টি” এ আকৃতির এ পুকুরটি নির্মানের রয়েছে এক ইতিহাস। কিন্তু সে ইতিহাসটি কেউ জানতোনা। সম্প্রতি টাঙ্গাইল সংগ্রহশালা নামে একটি গবেষনা প্রতিষ্ঠান উদ্ধার করেছে পুকুরটির ইতিহাস।
টাঙ্গাইল শহর থেকে পশ্চিম দিকে সন্তোষ এলাকায় ইংরেজী “টি” অক্ষরের আকৃতির পুরাতন একটি পুকুর রয়েছে। টাঙ্গাইল শহরের বেশকয়েকটি পুরাতন পুকুর থাকলেও একটি অক্ষরের আকৃতির এ পুকুর এই একটিই। এই পুকুর নির্মানের ইতিহাস খুজে বের করতে গবেষনা শুরু করে টাঙ্গাইলের ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে কাজ করা সংগঠন “টাঙ্গাইল সংগ্রহশালা। সম্প্রতি সংগঠনটি এলাকার প্রবীন নাগরিকদের দেয়া তথ্য ও টাঙ্গাইলের ইতিহাস ধর্মী বিভিন্ন বই থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিত্বে এ পুকুর নির্মানের ইতিহাস উৎঘাটন করেছে। গবেষনায় জানা গেছে, ১৮৭০ খ্রিষ্টাব্দে ছয়আনীর জমিদার শ্রীমতি জাহ্নবী চৌধুরানী একটি পাঠশালা ও দাতব্য চিকিৎসালয় নির্মানের সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু তখন এ অঞ্চলে ছিলনা কোন ইটভাটা। ইট তৈরীর জন্য তার নির্দেশে সন্তোষ এলাকার জমি থেকে মাটি উত্তোলন করা হয়। এখান থেকে উত্তোলিত মাটি দিয়েই নির্মান করা হয় পাঠশালা ও দাতব্য চিকিৎসালয়। যা বর্তমানে জাহ্নবী উচ্চ বিদ্যালয় ও টিবি ক্লিনিক নামে পরিচিত। মাটি উত্তোলনের কারনে সেখানে তৈরী হয় ইংরেজী অক্ষর “টি” আকৃতির বিশাল গর্তের। পরে জমিদার জাহ্নবীর নির্দেশে প্রজাদের পানীয় জলের ব্যবস্থা করার জন্য পুকুরে রুপান্তর করা হয়। জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত হওয়ার পর মাওলানা ভাসানী নবগঠিত জেলা মজদুর ইউনিয়নের সদস্যদের নিয়ে সেখানে মাছ চাষের উপযোগী করেন। ১৯৮৩ খ্রীষ্টাব্দে সরকারী উদ্যোগে পুকুরটি সংস্কার করা হয় এবং টি পন্ড নামে নথিভুক্ত করা হয়। পুকুরটির ইতিহাস উম্মোচিত হবার পর বিভিন্ন এলাকা হতে লোকজন আসছেন পুকুরটি দেখতে। পুকুরটির ইতিহাস জানতে পেরে তারও গর্বিত।
সম্প্রতি “টাঙ্গাইল সংগ্রহশালা” সংগঠনের উদ্যোগে পুকুরের ইতিহাস সম্বলিত নাম ফলক উম্মোচন করেন সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান। টাঙ্গাইল-৫ সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন এমপি বলেন, সরকারী উদ্যোগে পুকুরটি সংস্কার করে সংরক্ষনের উদ্যোগ নেয়া হবে।

ব্যতিক্রমী এ পুকুটিকে সংস্কার ও সংরক্ষন করা গেলে রক্ষা পাবে একটি ইতিহাস, এমনটিই মনে করেন টাঙ্গাইলবাসী।

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর
%d bloggers like this: