শিরোনাম
মির্জাপুরে নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন Headline Bullet       টাঙ্গাইল ডিএফএ এর সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান জামিলের স্মরণে শোকসভা  Headline Bullet       দেশে এবার নির্মাণ হবে দৃষ্টিনন্দন ২৬১ গম্বুজ মসজিদ Headline Bullet       মির্জাপুরে ফজলুর রহমান খান ফারুক ফুটবলে কালিয়াকৈর চ্যাম্পিয়ন Headline Bullet       অনিয়মের অভিযোগে শিক্ষক বরখাস্ত, প্রতিবাদের শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন Headline Bullet       নাগরপুরে জনসভাকে ঘিরে প্রকাশ্যে এলো এমপি-উপজেলা আ’লীগের দ্বন্দ্ব Headline Bullet       মির্জাপুরে ডেঙ্গু সচেতনতায় র‌্যালি Headline Bullet       বিয়ের ২ দিন পর পুকুরে গোসল করতে গিয়ে লাশ হলেন যুবক Headline Bullet       নাগরপুরে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত Headline Bullet       মির্জাপুরে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি ও আইনশৃৃৃঙ্খলা সভা Headline Bullet      

টাঙ্গাইলের মধুপুরে করলা খেত কেটে সাবাড় – কৃষক দিশেহারা

সোনালী বাংলাদেশ নিউজ
সম্পাদনাঃ ১৩ এপ্রিল ২০১৯ - ০৮:১৭:৫২ পিএম

সোনালী বাংলাদেশ নিউজ ডেস্ক :
টাঙ্গাইলের মধুপুরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ৩২ শতাংশ জমির করলা খেত কেটে সাবাড় করেছে। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক দিশেহারা। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান করলা খেত পরিদর্শন করেছেন।
জানা যায়, মধুপুর উপজেলার কুড়াগাছা ইউনিয়নের কুড়াগাছা গ্রামের কৃষক মোহম্মদ আলীর ছেলে আকতার হোসেন কালু তার ভাইয়ের বাড়ির পালানে ৩২শতাংশ জমিতে স্থানীয় পাইকারদের কাছ থেকে দাদন ও ধার দেনা করে উচ্চ ফলনশীল জাতের করলা চাষ করেন। অতিযতেœ গড়ে তোলা করলা খেত গাছে মাঁচা ছেয়ে গেছে। থোকায় থোকায় করলা ধরেছে। হঠাৎ করে গত শুক্র বার সকালে কালু মিয়া ঘুম থেকে উঠে খেতে গিয়ে দেখে তার ৩২ শতাংশ জমির করলা গাছ কেটে সাবাড় করেছে। গাছ গুলো মরা মরা। স্থানীয়রা এ খবর শুনে এসে দেখে গোরাসহ পুরো জমির গাছ তুলে ফেলেছে। এ ব্যাপারে কৃষক আকতার হোসেন কালু মিয়া জানায়, আমি ধার দেনা ও দাদন নিয়ে গত কার্তিক মাস থেকে তার ৩২ শতাংশ জমিতে করলা চাষ করে যতœ করে আসছি। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে এ জমিতে কাজ করছি। গাছে করলা ধরেছে। কিছু কিছু করলা বিক্রিও শুরু করেছি। গত শুক্রবার ঘুম থেকে উঠে গিয়ে দেখতে পায় আমার ৩২ শতাংশ জমির করলা গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। তিনি আরও জানান, গত চার দিন আগে একই গ্রামের টানপাহাড় এলাকার খলিল মিয়ার ছেলে আরশেদ আলী তাদের এলাকা থেকে করলা চুরি করলে স্থানীয়রা ধরে ফেলে। সেখানে গিয়ে চুরির অভিযোগে আরশেদ আলীকে আকতার হোসেন কালু একটি বেত্রাঘাত করে। কালু মিয়ার ধারনা এ শত্রুতা থেকে আরশেদ আলী তার খেতের করলা গাছ কেটে দিতে পারে। তিনি আরও জানান, এ পর্যন্ত তার করলা খেতের খরচ হয়েছে ২০/৩০ হাজার টাকা। শেষ পর্যন্ত করলা বিক্রি করতে পারলে লক্ষাধিক টাকা হাতে পেতো বলে তার ধারণা। এখন এ কৃষক ধার দেনা ও ঋণ নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। কি দিয়ে পরিশোধ করবেন ঋণ। একই গ্রামের আব্দুস সালাম (৩৫), হাসমত আলী (৭৫) ও বিল্লাল হোসেন (৫০) জানায়, আমরা গিয়ে করলা খেত দেখেছি এভাবে মানুষ ক্ষতি করতে পারে ধারণা করা যায় না। ধরন্ত ফসল এভাবে নষ্ট করায় কৃষকটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এসব তথ্য স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে। এ ব্যাপরে স্থানীয় কুড়াগাছা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফজলুল হক সরকার জানায়, আমি সরজমিনে দেখতে গিয়েছিলাম। তার ৩২শতাংশ জমির পুরোটাই করলা গাছের গোরা টেনে তুলে ফেলেছে। এতে এ হতদরিদ্র কৃষকটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। যেই এই ক্ষতিকর কাজটি করে থাক এটা ঘৃণিত ও ন্যাক্কারজনক। কৃষকটি ভাল ভাবে করলা বিক্রি করতে পারলে লক্ষাধিক টাকার মতো পেতো। সে এখন হতাশ হয়ে পড়েছে। এই কাজটি যেই করে থাক তার উচিত বিচার হওয়া দরকার।

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর
%d bloggers like this: