শিরোনাম
ঘাটাইলে ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক সাংবাদিকের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন       ঘাটাইলে সাংবাদিকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন       এলেঙ্গায় বসন্তবরণ উদ্যাপিত       দেলদুয়ারে জনতার মুখোমুখি ও শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠিত       টাঙ্গাইলে প্রতিবন্ধী শিশু-কিশোরদের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত       টাঙ্গাইলে বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান খান এমপিকে সংবর্ধনা       মাভাবিপ্রবি তারুণ্যের উচ্ছাস সেচ্ছাসেবী সংগঠনের গাছ রোপন কর্মসুচি       টাঙ্গাইলে দশ দিনব্যাপী বিসিক শিল্প মেলার উদ্বোধন       টাঙ্গাইলে শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচী       টাঙ্গাইলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষনে বধ্যভুমি সংস্কার ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মান      

ভিয়েতনামে ১০ হাজার ইন্টারনেট সেনা, প্রয়োজন বাংলাদেশেও

সোনালী বাংলাদেশ নিউজ
সম্পাদনাঃ ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ - ১১:০২:৩৮ পিএম

সম্প্রতি ভিয়েতনামের সেনাবাহিনী প্রায় ১০ হাজার সেনা সদস্যের একটি দল গঠন করেছে যারা ইন্টারনেটে নজরদারি করবে। ভিয়েতনামের সেনাবাহিনী পিপলস আর্মি’র একজন মুখপাত্র এ প্রসঙ্গে জানান, এই বাহিনীর নাম হবে ‘সাইবার ট্রুপ’। তাদের কাজ হবে- ইন্টারনেটে রাষ্ট্রবিরোধী প্রচার-প্রচারণা ছড়ানোকে প্রতিহত করা।

মূলত, ভিয়েতনামে বিপুল সংখ্যক ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী রয়েছে। যাদের অনেকেই ভিয়েতনাম সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রোপাগাণ্ডা চালিয়ে সরকারকে বিব্রত করার চেষ্টা করছে। আর তাই মিথ্যা অপপ্রচার রোধে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ভিয়েতনাম সরকার।

বর্তমান বাংলাদেশে কোটা আন্দোলন এবং নিরাপদ সড়ক আন্দোলন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক মিথ্যা প্রচারণা লক্ষ্য করা গিয়েছে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশেও এমন সেনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন আইটি বিশেষজ্ঞরা।

আইটি বিশেষজ্ঞারা জানান, ফেসবুক কর্তৃপক্ষ মিথ্যা প্রচারণার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারবে না, তা আগেই জানিয়ে দিয়েছে। সেক্ষেত্রে একটি দেশের ভালো খারাপ অনেকাংশ নির্ভর করছে ফেসবুক ও ইউটিউবের ওপর। এমতাবস্থায় প্রতিটি দেশের সরকারের উচিত হবে ফেসবুক সেনা তৈরি করে মিথ্যা প্রোপাগাণ্ডার বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা। যা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটেও জরুরি।

ভিয়েতনামি সামরিক বাহিনীর পলিটিক্যার ডিপার্টমেন্টের উপ-প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল নুগয়েন ট্রং এনঘিয়া সম্প্রতি ক্রিসমাস দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় ফোর্স-৪৭ নামে এই সাইবার বাহিনীর কথা ঘোষণা করেছেন বলে জানা গেছে। তিনি বলেছেন, ভিয়েতনামের নয় কোটি জনসংখ্যার ৬২.৭ শতাংশেরই ইন্টারনেটে অ্যাকসেস রয়েছে, তবে একই সঙ্গে এও বলেছেন যে, ইন্টারনেটের এই উচ্চ-প্রবৃদ্ধি দেশের জন্য ভাল ও মন্দ দুটোই নিয়ে আসতে পারে। তাই দেশের প্রয়োজনেই আমরা এ ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।

সর্বশেষ
%d bloggers like this: