শিরোনাম
টাঙ্গাইলে লাইব্রেরিয়ান নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ Headline Bullet       টাঙ্গাইলে সাংবাদিকদের মাঝে অনুদানের চেক প্রদান Headline Bullet       টাঙ্গাইলে সদর থানা ও শহর বিএনপির আহবায়ক কমিটির আনন্দ Headline Bullet       শিহাব হত্যা মামলায় ৪ আসামির আত্মসমর্পণ, জামিন নামঞ্জুর Headline Bullet       বাসাইলে ৪টি ড্রেজার মেশিন ধ্বংস Headline Bullet       তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে জাতীয় পার্টির বিক্ষোভ ও সমাবেশ Headline Bullet       চলন্ত বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণে : মূল পরিকল্পনাকারীসহ ১০ ডাকাত গ্রেফতার Headline Bullet       সদরে দাইন্যা ইউনিয়নে পউপট’র উদ্যোগে বিনামূল্যে চারা গাছ বিতরণ Headline Bullet       টাঙ্গাইলে শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মাদিনে শ্রদ্ধা Headline Bullet       টাঙ্গাইলে পাশ থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার Headline Bullet      

নিজেদের নির্বাচনী পথসভায় ককটেল হামলা, বিএনপির সাজানো নাটক?

সোনালী বাংলাদেশ নিউজ
সম্পাদনাঃ ১৮ জুলাই ২০১৮ - ১১:১৬:১৭ পিএম

আগামী ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ২০১৮। সাগরপাড়া, কাজলা, মোল্লাপাড়া, জিরোপয়েন্ট সহ নগরীর সর্বত্রই বইছে উৎসবমুখর নির্বাচনী হাওয়া।

শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছে প্রার্থীরা। সম্প্রতি হঠাৎ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনী পরিবেশ।

কনস্টেবল সিদ্ধার্থ হত্যা মামলাসহ ১২ টি মামলার আসামী বুলবুল এবার মেয়র প্রার্থী। তার পক্ষে প্রচারণা চালাতে বাংলা ভাইয়ের কারিগর রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু রাজশাহীতে আসার পর পরই মূলত অশান্ত হয়ে উঠেছে নির্বাচনী পরিবেশ। বুলবুলের পক্ষে নির্বাচনী প্রচাণায় দুলু নামার পরদিনই নির্বাচনী জনসমাবেশে ককটেল হামলার ঘটনা ঘটেছে। তাই রাজশাহী নগরীতে রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর উপস্থিতিকে আতঙ্কের চোখে দেখছেন অধিকাংশ নগরবাসী। অনেকেই আতঙ্কের চোখে প্রশ্ন করেন, বাংলা ভাইয়ের মতো দুর্ধর্ষ জঙ্গির জন্মদাতা দুলু কি পুনরায় রাজশাহীকে আতঙ্কের জনপদে তৈরী করতে চান? ফলে নির্বাচনকে ঘিরে একরকম আতঙ্কে আছে নগরীর সাধারণ মানুষ।

উল্লেখ্য বিএনপি সরকারের সাবেক উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদারের প্রত্যক্ষ মদদে বাংলা ভাই ও শায়খ আব্দুর রহমানের মত দুর্ধর্ষ জঙ্গির উত্থান ঘটেছিল বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের আমলে। ২০০৪ সালের ৩১ মার্চ রাজশাহীর বাগমারায় সর্বহারা নিধনের নামে দুলুর নেতৃত্বে শায়খ আব্দুর রহমান ৭ জনকে প্রকাশ্যে জবাই করে হত্যা করেছিল।

যেকোনো ধরণের পথসভা করতে গেলে পুলিশের অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু জেলা ছাত্রদল আয়োজিত বিএনপির যে পথসভার কাছে ককটেল হামলার ঘটনা ঘটেছে ওই পথসভার জন্য কোনো ধরণের অনুমতি নেয়নি জেলা ছাত্রদল। ফলে তাৎক্ষণিক ভাবে হামলাকারীদের সম্পর্কে কোনো ধারণা পায়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন জাগে তবে কি ককটেল হামলার সাজানো নাটক করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর পাশাপাশি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায় বিএনপি?

এখন পর্যন্ত রাসিক নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণে ব্যাকফুটে রয়েছেন বিএনপি প্রার্থী বুলবুল। আর এই অবস্থা চলতে থাকলে নিশ্চিত পরাজয়ের স্বাদ গ্রহণ করতে হবে বুলবুলকে। আর তাই কোনো উপায়ন্তর না দেখে নিজেদের নির্বাচনী সমাবেশের পাশে নিজেদের লোক দিয়ে ককটেল হামলা করিয়ে সাধারণ জনগণের সিমপ্যাথি আদায় করে নির্বাচনের প্লট পরিবর্তনের পাঁয়তারা করছে বুলবুল। এমনটাই অভিমত অনেকের।

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর
%d bloggers like this: