শিরোনাম
সিরিজ বোমা হামলায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে টাঙ্গাইলে আওয়ামীলীগের বিক্ষোভ মিছিল Headline Bullet       অপপ্রচারের বিরুদ্ধে ইউপি চেয়ারম্যান হেকমতের সংবাদ সম্মেলন Headline Bullet       টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে স্কুলছাত্রের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার Headline Bullet       টাঙ্গাইলে বীরমুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোঃ নুরুল ইসলাম আর নেই Headline Bullet       টাঙ্গাইলে লাইব্রেরিয়ান নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ Headline Bullet       টাঙ্গাইলে সাংবাদিকদের মাঝে অনুদানের চেক প্রদান Headline Bullet       টাঙ্গাইলে সদর থানা ও শহর বিএনপির আহবায়ক কমিটির আনন্দ Headline Bullet       শিহাব হত্যা মামলায় ৪ আসামির আত্মসমর্পণ, জামিন নামঞ্জুর Headline Bullet       বাসাইলে ৪টি ড্রেজার মেশিন ধ্বংস Headline Bullet       তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে জাতীয় পার্টির বিক্ষোভ ও সমাবেশ Headline Bullet      

মাদ্রাসায় লোহার শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হতো শিশু জিম আক্তারকে

সোনালী বাংলাদেশ নিউজ
সম্পাদনাঃ ২২ এপ্রিল ২০১৮ - ০২:৫৯:১২ পিএম

বাজারে দোকানের সামনে গিয়ে কাঁদছিল শিশুটি। পায়ে লোহার শিকলের এক প্রান্ত বাধা। আরেক প্রান্ত খোলা। দেখে বোঝাই যাচ্ছিল, সে এমন কোথা থেকে পালিয়ে এসেছে, যেখানে তাকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হতো। শিশুটির সঙ্গে কথা বলে এর সত্যতাও পায় ওই বাজারের লোকজন। পরে পুলিশ খবর পেয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

ঘটনাটি ঘটেছে নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলায়। উদ্ধার হওয়া শিশুটির নাম জিম আক্তার (১০)। সে উপজেলার চলনালি গ্রামে স্থানীয় চলনালি মাদ্রাসায় পড়ে। একই উপজেলার কাছিকাটা গ্রামে জিমের বাড়ি। বাবা আইনুল হক বেঁচে নেই।

‘অবাধ্য’ হওয়ার কারণে তাকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হতো বলে স্বীকার করেছেন ওই মাদ্রাসার শিক্ষক ইয়ারুল ইসলাম। পুলিশ পরে ওই শিক্ষককে আটক করে।

উদ্ধার হওয়া শিশুটির বরাতে গুরুদাসপুর থানার পুলিশ জানায়, চলনালি মাদ্রাসার শিক্ষক ইয়ারুল ইসলাম শিশুশিক্ষার্থী জিমকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখতেন। মাদ্রাসার নির্দিষ্ট একটি কক্ষ থেকে বের হতে দিতেন না। দীর্ঘদিন এভাবে থাকার পর গত শুক্রবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে জিম মাদ্রাসার অন্য শিক্ষার্থীদের সহায়তায় পালিয়ে এসে চাঁচকৈড় বাজারের একটি দোকানের বারান্দায় এসে আশ্রয় নেয়। স্থানীয় লোকজন সেখানে তাকে কাঁদতে দেখে পরে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। শিশুটির কাছে সবকিছু শোনার পর ওই রাতেই শিক্ষককে আটক করে পুলিশ।

খবর পেয়ে জিমের মা মিনিয়ারা বেগম থানায় এসে মেয়েকে বাসায় নিয়ে যান। তিনি জানান, মেয়েকে আরবি শেখানোর জন্য মাদ্রাসায় দিয়েছিলেন। সে মাদ্রাসায় থাকতে চাইত না।

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর
%d bloggers like this: