শিরোনাম
মুজতবা দানিশের নামে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন Headline Bullet       মধুপুরে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতি পক্ষের হামলায় যুবক নিহত Headline Bullet       গোপালপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় ইউপি সদস্য কারাগারে Headline Bullet       টাঙ্গাইলে মারকাজুল কুরআন মাদরাসার ৭ ছাত্রকে পাগড়ি প্রদান Headline Bullet       মির্জাপুরে এমপির নিজস্ব অর্থায়নে বেইলি ব্রিজ নিমার্ণ Headline Bullet       নাগরপুরে মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন Headline Bullet       মির্জাপুরে সদ্য যোগদানকৃত সহকারী শিক্ষকদের সংবর্ধনা ও মতবিনিময় Headline Bullet       বাসাইলে শত বছরের ডুবের মেলায় জনস্রোত Headline Bullet       মির্জাপুরে মসজিদের ঈমামকে মারধরের ঘটনায় প্রতিবাদ সমাবেশ Headline Bullet       টাঙ্গাইলে বারাকা খাদ্য প্রদান কর্মসূচি উদ্বোধন Headline Bullet      

মাদ্রাসায় লোহার শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হতো শিশু জিম আক্তারকে

সোনালী বাংলাদেশ নিউজ
সম্পাদনাঃ ২২ এপ্রিল ২০১৮ - ০২:৫৯:১২ পিএম

বাজারে দোকানের সামনে গিয়ে কাঁদছিল শিশুটি। পায়ে লোহার শিকলের এক প্রান্ত বাধা। আরেক প্রান্ত খোলা। দেখে বোঝাই যাচ্ছিল, সে এমন কোথা থেকে পালিয়ে এসেছে, যেখানে তাকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হতো। শিশুটির সঙ্গে কথা বলে এর সত্যতাও পায় ওই বাজারের লোকজন। পরে পুলিশ খবর পেয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

ঘটনাটি ঘটেছে নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলায়। উদ্ধার হওয়া শিশুটির নাম জিম আক্তার (১০)। সে উপজেলার চলনালি গ্রামে স্থানীয় চলনালি মাদ্রাসায় পড়ে। একই উপজেলার কাছিকাটা গ্রামে জিমের বাড়ি। বাবা আইনুল হক বেঁচে নেই।

‘অবাধ্য’ হওয়ার কারণে তাকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হতো বলে স্বীকার করেছেন ওই মাদ্রাসার শিক্ষক ইয়ারুল ইসলাম। পুলিশ পরে ওই শিক্ষককে আটক করে।

উদ্ধার হওয়া শিশুটির বরাতে গুরুদাসপুর থানার পুলিশ জানায়, চলনালি মাদ্রাসার শিক্ষক ইয়ারুল ইসলাম শিশুশিক্ষার্থী জিমকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখতেন। মাদ্রাসার নির্দিষ্ট একটি কক্ষ থেকে বের হতে দিতেন না। দীর্ঘদিন এভাবে থাকার পর গত শুক্রবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে জিম মাদ্রাসার অন্য শিক্ষার্থীদের সহায়তায় পালিয়ে এসে চাঁচকৈড় বাজারের একটি দোকানের বারান্দায় এসে আশ্রয় নেয়। স্থানীয় লোকজন সেখানে তাকে কাঁদতে দেখে পরে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে শিশুটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। শিশুটির কাছে সবকিছু শোনার পর ওই রাতেই শিক্ষককে আটক করে পুলিশ।

খবর পেয়ে জিমের মা মিনিয়ারা বেগম থানায় এসে মেয়েকে বাসায় নিয়ে যান। তিনি জানান, মেয়েকে আরবি শেখানোর জন্য মাদ্রাসায় দিয়েছিলেন। সে মাদ্রাসায় থাকতে চাইত না।

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর
%d bloggers like this: