শিরোনাম
টাঙ্গাইলে বাছিরন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৫৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন Headline Bullet       টাঙ্গাইলে বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে মহৌষধি ‘ননী ফল’ Headline Bullet       কয়লা সংকট সমাধানের দাবিতে টাঙ্গাইলে ইট মালিক সমিতির মানববন্ধন Headline Bullet       ভূঞাপুরে ছোট ভাইকে বাঁচাতে লাঠির আঘাতে প্রাণ হারাল বড় ভাই, গ্রেফতার ৪ Headline Bullet       উৎসাহ ও উদ্দিপনার মধ্য দিয়ে মির্জাপুর কম্ফিট কম্পোজিট নীট লি. এ শ্রমিকদের ভোট গ্রহন। Headline Bullet       বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে টাঙ্গাইল বালক দল চ্যাম্পিয়ন Headline Bullet       কালিহাতীর প্রাক্তন শিক্ষক শম্ভূনাথ আর্যের পরলোকগমন Headline Bullet       সভাপতি রুহান সম্পাদক রাজন মির্জাপুরে ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত Headline Bullet       মির্জাপুরে মানবতায় আমরা সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত Headline Bullet       জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি কোরবান আলী আর নেই Headline Bullet      

টাংগাইলে ব্যাপক হারে পিডিবির বিদ্যুৎ চুরি

সোনালী বাংলাদেশ নিউজ
সম্পাদনাঃ ১০ এপ্রিল ২০১৮ - ০৪:২২:৩৬ পিএম

 

কৃষ্মনগর ভাঙাবাড়ি,আনাহুলা এলাকা যা টাংগাইল জেলা পিডিবি এর আওতাভুক্ত সন্তোষ রিডার এর আওতাধীন।গত বছরের জানুয়ারীতে মেসার্স মুন পাওয়ার এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ইলেকট্রিকাল ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান টাংগাইল জেলা পিডিবি এর কাছ থেকে দরপএ আহবান করে মিটার রিডিং পর্যবেক্ষন এবং তা অনুযায়ী বিল করার দায়িত্ব নেয়।উক্ত দায়িত্ব পালনের জন্য ৭ জন সুপারভাইজার সহ প্রতি সুপারভাইজারের অধিনে ১০/১২ জন করে মিটার রিডার ম্যান নিয়োগ দেয় প্রতিষ্ঠানটি।

গত ০৯/০৪/২০১৮ ইং ঐ এলাকায নিযুক্ত সুপারভাইজার নুরুজ্জামান(গ্রাম:পিরোজপুর; ডাকঘর:কাকরাইদ;থানা:মধুপুর জেলা;টাংগাইল)এর অধীনে থাকা রিডারম্যান তরিকুল ও তার ভাড়াটে লোক বারেক মিলে কৃষ্মনগর ভাঙাবাড়ি গ্রামের আসমানীর বাড়িতে নির্দিষ্ট পরিমাণে থাকা মিটার রিডিং যার আনুমানিক মূল্য ৮০০০ টাকা।উক্ত রিডিং শুন্য করে দেবার চুক্তিতে শুন্য রিডিংযুক্ত নতুন এক মিটার বসিয়ে দেয়।এসময় লোক মারফত খবর পেয়ে জেলা পিডিবির নির্বাহী কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার মো: আনোয়ারুল ইসলাম তাদের হাতে নাতে ধরে ফেলেন।৪০০০ টাকার বিনিময়ে তারা এ কাজটি করে বলে জানায়।এসময় তাদের কাছ থেকে জানা যায় এ অবৈধ কাজে সুপারভাইজার নুরুজ্জামান জড়িত।কিন্তু এ নিয়ে নুরুজ্জামানের কাছে জানতে চাইলে তিনি তা অস্বীকার করেন।পরে এ নিয়ে কথা বলতে মেসার্স মুন পাওয়ার এন্টারপ্রাইজের অফিসে গেলে অফিসে তালা ঝুলতে দেখা যায়।ধৃত তরিকুল ও বারেক জানায় মুন পাওয়ার এন্টারপ্রাইজের প্রতিটি সুপারভাইজারই এমন অবৈধ কাজ বহুদিন ধরে করে আসছেন।শুধু মিটার রিডিং কমানো নয় কখনো কখনো মিটার রিডিং নিজেদের ইচ্ছে মত বাড়িয়ে বসিয়ে অনেক গ্রাহককে হয়রানি করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে তারা ।এসময তরিকুল জানায় পারিবারিক অস্বচ্ছলতার কারনে সে এই অপরাধের পথে পা দিয়েছেন।

তবে এ কাজে একদিকে সরকার যেমন রাজস্ব হারাচ্ছে তেমনভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারন গ্রাহকরা।এ ব্যাপারে জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইঞ্জিনিয়ার মো: আনোয়ারুল ইসলাম জানান যে,জেলার ৩৮,০০০ গ্রাহকের সেবায় নিয়োজিত টাংগাইল জেলা পিডিবি এর কোন কর্মকর্তা এর সাথে জড়িত কিনা তা তিনি খতিয়ে দেখবেন এবং থাকলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয ব্যবস্থা নিবেন।এছাড়া তিনি দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেবার কথা জানিযেছেন।আর এ ধরনের অপরাধ ও প্রতারণা থেকে সকল গ্রাহককে সচেতন ও বিরত থাকার আনুরোধ করেছেন।

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর
%d bloggers like this: